২০৩০ এই ৬জি প্রযুক্তি চালু করে বিশ্বে রেকর্ড করার ঘোষণা আম্বানির - 24 Ghanta Bangla News
Home

২০৩০ এই ৬জি প্রযুক্তি চালু করে বিশ্বে রেকর্ড করার ঘোষণা আম্বানির

Spread the love

নয়াদিল্লি: রিলায়েন্স জিও ঘোষণা করেছে, ভারত বিশ্বের প্রথম কয়েকটি দেশের ( Jio 6G)মধ্যে থাকতে পারে যেখানে বাণিজ্যিকভাবে ৬জি নেটওয়ার্ক চালু হবে। কোম্পানি ইতিমধ্যেই প্রি-৬জি প্রযুক্তি…

নয়াদিল্লি: রিলায়েন্স জিও ঘোষণা করেছে, ভারত বিশ্বের প্রথম কয়েকটি দেশের ( Jio 6G)মধ্যে থাকতে পারে যেখানে বাণিজ্যিকভাবে ৬জি নেটওয়ার্ক চালু হবে। কোম্পানি ইতিমধ্যেই প্রি-৬জি প্রযুক্তি তৈরি করে ফেলেছে এবং আট হাজারেরও বেশি পেটেন্ট দাখিল করেছে। নয়াদিল্লিতে চলতি ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেস ২০২৬-এ এই তথ্য জানানো হয়।

জিওর দাবি, বিশ্বব্যাপী মানদণ্ড চূড়ান্ত হওয়ার পর ২০৩০ সালের দিকে ভারত ৬জি সেবা চালু করতে পারবে। কোম্পানি নিজস্ব প্রি-৬জি স্ট্যাক এবং গিগা এমআইএমও রেডিও প্রদর্শন করেছে। এই রেডিওকে ভারতের প্রথম বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া একটি কমন বেসব্যান্ড ইউনিটও উন্মোচন করা হয়েছে, যা একসঙ্গে ৫জি ও ৬জি দুটোই সাপোর্ট করতে পারবে। এতে ভবিষ্যতে নেটওয়ার্ক আপগ্রেড করা সহজ হবে।

আরও দেখুনঃ যোগী রাজ্যের সীতাপুরে জিয়াউল উলুম মসজিদকে সরকারি নোটিস! চলবে বুলডোজার

৬জি নেটওয়ার্ক বর্তমান ৫জির তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি ক্ষমতা দিতে পারে এবং লেটেন্সি প্রায় দশ গুণ কমিয়ে আনতে সক্ষম হবে বলে জিও জানিয়েছে। ( Jio 6G)এর ফলে রিয়েল-টাইম এআই, হলোগ্রাফিক ভিডিও, দূরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং অন্যান্য আধুনিক ডিজিটাল সেবা আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য হবে। কৃষক, ডাক্তার ও শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিক তথ্য পাওয়ার সুবিধা পাবেন।

পেটেন্টের ক্ষেত্রে জিও বড় অগ্রগতি দেখিয়েছে। কোম্পানি আট হাজারেরও বেশি পেটেন্ট দাখিল করেছে, যার মধ্যে শতাধিক ৬জি-সংক্রান্ত। ( Jio 6G)এছাড়া বৈশ্বিক মানদণ্ড নির্ধারণে ৯৩৪টিরও বেশি অবদান রেখেছে। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, বৌদ্ধিক সম্পত্তি ও আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড এই চারটি ক্ষেত্রে জিও কাজ করছে। আকাশ আম্বানি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য অনুযায়ী ভারত থেকে ৬জির দশ শতাংশ পেটেন্ট আসা উচিত এবং সেই লক্ষ্যেই কাজ চলছে।

ভারত সরকারও ৬জি নিয়ে সক্রিয়। ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের ৬জি ভিশন ডকুমেন্ট প্রকাশ করেন। লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট ও ডিপ্লয়মেন্টে ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়া। ভারত ৬জি অ্যালায়েন্স গঠন করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নে দেশ সক্রিয় অংশ নিচ্ছে। যোগাযোগমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া সম্প্রতি বলেছেন, ভারত ৬জিতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে এবং ইতিমধ্যেই আট হাজার পেটেন্ট অবদান রেখেছে।

৫জি চালুর ক্ষেত্রে ভারত দ্রুত অগ্রগতি দেখিয়েছিল। ( Jio 6G)এবার ৬জিতে আরও আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে এগোচ্ছে। জিওর এই প্রযুক্তি শুধু গতি বাড়াবে না, বরং এআই-নেটিভ ও কোয়ান্টাম-সেফ নেটওয়ার্ক তৈরির পথও খুলে দেবে। শিল্প, কৃষি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে এর প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে ৬জি চালু হতে এখনও সময় লাগবে। বৈশ্বিক মানদণ্ড চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত বাণিজ্যিক সেবা শুরু সম্ভব নয়। জিও আগেভাগে প্রযুক্তি তৈরি করে রাখছে যাতে মানদণ্ড চূড়ান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভারত প্রস্তুত থাকে। অন্যান্য দেশও একই লক্ষ্যে কাজ করছে। তাই প্রতিযোগিতা তীব্র হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *