সন্ধিপুজোর সময় জানায় জলঘড়ি, বার্তা দিতে ছোটে ডাকহরকরা
গাঙ্গুঠিয়া গ্রামের বাসিন্দা গ্রহাচার্যের কথায়, ‘জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে ঠিক করা হয়, কত বার তামার বাটি ডুবলে সন্ধিপুজো শুরু হবে।’ মিঠানি গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, খুব আশ্চর্যের বিষয় হলো, পঞ্জিকায় লেখা সময়ের সঙ্গে হুবহু মিলে যায় এই জলঘড়ির গণনা। আরও জানা গেল, মিঠানির চক্রবর্তী পরিবারের দুর্গাপুজোয় সন্ধিপুজো শুরু হওয়ার পরেই আশপাশের ধেমোমেন, আলডি, বেজডিহি, পাটমোহনা–সহ লাগোয়া একাধিক গ্রামে সন্ধিপুজো শুরু হয়। কিন্তু কী ভাবে চক্রবর্তী পরিবারের দুর্গাপুজোয় সন্ধিপুজো শুরু হওয়ার কথা জানতে পারেন ওই সব গ্রামের বাসিন্দারা? সেও এক দারুন ব্যবস্থা। ফোনে ফোনে খবর দেওয়া হয় না। ওই সব গ্রামের এক বা একাধিক বাসিন্দা একদিনের জন্য ডাকহরকরা হয়ে গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে ছুটে ছুটে সেই বার্তা পৌঁছে দেন।