মোবাইল হ্যাক করেছে দিল্লি পুলিশ! অভিযোগ আরশোলা নেতা সৌরভের - 24 Ghanta Bangla News
Home

মোবাইল হ্যাক করেছে দিল্লি পুলিশ! অভিযোগ আরশোলা নেতা সৌরভের

Spread the love

নয়া দিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির সহ-সমন্বয়ক সৌরভ দাস (Sourav Das)আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন তাদের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত…

নয়া দিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির সহ-সমন্বয়ক সৌরভ দাস (Sourav Das)আজ এক সাংবাদিক সম্মেলনে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেছেন, পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন তাদের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং সেগুলো হ্যাক বা ক্লোন করা হতে পারে। সৌরভ দাস দাবি করেছেন, বাজেয়াপ্তের কোনো মেমো দেওয়া হয়নি এবং পরে এই ফোনগুলোতে নথি বা অন্যান্য উপাদান স্থাপন করে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে।

গত ১০ অক্টোবর দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পর পুলিশ সৌরভ দাস, আশুতোষ রঙ্কা ও অভিজিৎ দীপকেকে প্রিভেন্টিভ ডিটেনশনে নেয়। পরদিন তাঁদের দিল্লি ক্যান্টের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় এবং ৫০ হাজার টাকার জামানতে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির পর প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সামনে সৌরভ দাস এই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ফোনগুলো ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় পুলিশের কাছে ছিল এবং কোনো নথিপত্র না দেওয়ায় সন্দেহ স্বাভাবিক।

আরও দেখুনঃ যোগী রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ‘জাপান সিটি!’ বদলে দেবে রাজ্যের শিল্প-বিনিয়োগের মানচিত্র

এই অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো স্বাধীন প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। (Sourav Das)পুলিশ পক্ষ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। সৌরভ দাস আরও বলেন, হেফাজতে আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগের অনুমতিও দেওয়া হয়নি। তিনি একে গণতান্ত্রিক অধিকারের লঙ্ঘন বলে দাবি করেছেন এবং দেশে জরুরি অবস্থার মতো পরিস্থিতি তৈরির অভিযোগ তুলেছেন।

সৌরভ দাস একজন তদন্তমূলক সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত। তিনি অ্যামিটি ইউনিভার্সিটি থেকে সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আরটিআই আইন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র হিসেবে তিনি জাতীয় মঞ্চে পরিচিতি পান। ছাত্র আন্দোলন ও নির্বাচন কমিশন সম্পর্কিত দাবিতে তাঁর ভূমিকা আলোচিত হয়েছে।

তাঁর এই অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। (Sourav Das)সমর্থকরা বলছেন, এটি রাষ্ট্রীয় সংস্থার অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগের উদাহরণ। অন্যদিকে সমালোচকরা মনে করেন, এ ধরনের দাবি প্রমাণ ছাড়াই করা হচ্ছে এবং এটি উত্তেজনা বাড়ানোর চেষ্টা। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী প্রিভেন্টিভ অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনা নির্বাচনী রোল সংশোধন নিয়ে চলমান বিতর্কের অংশ। ককরোচ জনতা পার্টি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছে। সৌরভ দাসের অভিযোগ এই আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়া ও তদন্ত ছাড়া এ ধরনের দাবির সত্যতা যাচাই করা কঠিন।

সামগ্রিকভাবে, মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত ও সম্ভাব্য হ্যাকিংয়ের অভিযোগ গুরুতর। এ ধরনের বিষয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। উভয় পক্ষের দাবি ও পাল্টা দাবির মধ্যে সত্য উদঘাটনই এখন প্রধান বিষয়। নাগরিক অধিকার রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য। এই ঘটনা আরও তদন্তের দাবি রাখে যাতে সব পক্ষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *