‘নিজেরা জেনে বুঝে আটক হয়ে সাধারণ যুবকদের এগিয়ে দিয়েছে!’ অভিযোগ সিজেপি সমর্থক যুবকদেরই
নয়াদিল্লি: দিল্লির জন্তর মন্তরে গত ১০ অক্টোবর ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে (CJP Supporters)যে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা নিয়ে এখন নানা মহলে আলোচনা চলছে। পুলিশের…
নয়াদিল্লি: দিল্লির জন্তর মন্তরে গত ১০ অক্টোবর ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে (CJP Supporters)যে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা নিয়ে এখন নানা মহলে আলোচনা চলছে। পুলিশের কড়া নজরদারি ও নেতৃবৃন্দের ডিটেনশনের কারণে মূল স্থানে বড় জমায়েত হয়নি। অনেকেই বিভিন্ন জায়গায় ছোটখাটো বিক্ষোভের চেষ্টা করেছিলেন এবং পুলিশের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে ১০ অক্টোবর জন্তর মন্তরে বড় কিছু ঘটবে এবং সমর্থকদের সেখানে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। কিন্তু পার্টির প্রধান নেতারা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রঙ্কা ও সৌরভ দাস বিমানবন্দরে অবতরণের পরই পুলিশের হাতে আটক হন। ফলে তাঁরা বিক্ষোভের স্থানে পৌঁছাতে পারেননি।
আরও দেখুনঃ ঠাকুমার মৃত্যু সংবাদ পেয়েও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে আপত্তি দীপকের! ভিডিও প্রকাশ দিল্লি পুলিশের
এই পরিস্থিতিতে কিছু সমর্থকের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।(CJP Supporters) সামাজিক মাধ্যমে কিছু ভিডিও ও মন্তব্য ঘুরছে যেখানে অভিযোগ করা হচ্ছে যে নেতারা নিজেরা এড়িয়ে গিয়ে সাধারণ কর্মী ও যুবকদের সামনে পাঠিয়েছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতেই এক যুবক অভিযোগ করেছেন সিজেপি নেতৃত্বের তরফ থেকে তাঁদের বলা হয়েছিল বড় কিছু ঘটবে। কিন্তু নেতারা বাড়িতে থেকে গেছেন আর সাধারণ মানুষ পুলিশের মুখোমুখি হয়েছেন। সেই যুবক অভিযোগ করেছেন পরে নেতারা ডিক্টেটরশিপ ও পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ভিডিও বানাচ্ছেন।
তবে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। পুলিশের তরফে বলা হয়েছে, অনুমতি না থাকায় এবং আইনশৃঙ্খলার স্বার্থেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। হাজারেরও বেশি মানুষকে ডিটেনশনে নেওয়া হয়েছিল এবং পরে অনেককে মুক্তি দেওয়া হয়। নেতারা পরদিন আদালত থেকে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি পান।
মুক্তির পর নেতারা বলেছেন, তাঁদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকার তাঁরা ব্যবহার করবেন। তাঁরা দাবি করেছেন যে পুলিশি ব্যবস্থা অতিরিক্ত ছিল এবং গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে। সমর্থকদের মধ্যে কেউ কেউ নেতাদের অনুপস্থিতিতে বিভ্রান্ত বোধ করেছেন বলেও কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
এই ঘটনা নির্বাচন কমিশনের বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে চলমান বিতর্কের অংশ।(CJP Supporters ) ককরোচ জনতা পার্টি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করে আসছে। পুলিশ ও প্রশাসন বলছে, শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতেই কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
সাধারণ মানুষের মধ্যে এখন প্রশ্ন উঠছে যে আন্দোলনের নেতৃত্ব কতটা দায়িত্বশীল। কেউ বলছেন, যুবকদের সামনে রেখে নিজেরা পেছনে থাকা ঠিক নয়। আবার কেউ মনে করেন, নেতাদের আটকই মূল সমস্যা তৈরি করেছে। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও দায়িত্ববোধের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।