ককরোচদের সমর্থনে বাংলাদেশে ইসলামপন্থীরা বাঁধছে জোট! আশংকার মেঘ রাজনৈতিক মহলে
ঢাকা: ঢাকায় গত রাতে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে (Bangladesh Rally)। জানা গিয়েছে ইসলামি ও বামপন্থী কিছু সংগঠন সেখানে যোগ দিয়ে ভারতের…
ঢাকা: ঢাকায় গত রাতে ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে (Bangladesh Rally)। জানা গিয়েছে ইসলামি ও বামপন্থী কিছু সংগঠন সেখানে যোগ দিয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এবং আটক নেতাদের মুক্তির দাবি তুলেছে। এই সমাবেশ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে এখন একটাই প্রশ্ন উঠছে মোদী সরকারের বিরোধিতায় আরশোলাদের সমর্থনে কেন বাংলাদেশের ইসলামপন্থীরা। তবে কি এর মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে কোনও গভীর বহু রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, এমনটাই প্রশ্ন করেছেন কূটনীতিকরা।
ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যে আন্দোলন চলছে, তার প্রভাব প্রতিবেশী দেশেও পড়েছে।(Bangladesh Rally) বাংলাদেশের ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি সাম্প্রতিক এক বিবৃতিতে এই আন্দোলনের প্রতি তাদের সমর্থন প্রকাশ করেছে। তাঁরা দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের ডিটেনশনের সমালোচনা করে শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন। তার সঙ্গে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশের ইসলামপন্থী কিছু সংগঠনও।
আরও দেখুনঃ ‘নিজেরা জেনে বুঝে আটক হয়ে সাধারণ যুবকদের এগিয়ে দিয়েছে!’ অভিযোগ সিজেপি সমর্থক যুবকদেরই
ভারতের নির্বাচন কমিশন বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ দিয়েছে। এই প্রক্রিয়াকে ভোট চুরি আখ্যা দিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন শুরু করেছে। সবচেয়ে বড় কথা এই ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনে বাদ পড়েছে বিশাল সংখ্যক বাংলাদেশি অবৈধ নাগরিকের নাম।
ঢাকার সমাবেশে আটক নেতাদের মুক্তির দাবি তোলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।(Bangladesh Rally) বিশেষ করে অভিজিৎ দীপকে ও ধ্রুব রাঠির মুক্তির জন্যই এই সমাবেশ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১০ অক্টোবর দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে তাঁদের ডিটেনশনে নেওয়া হয়েছিল। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁরা মুক্তি পান। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বাংলাদেশে ভারতবিরোধী কিছু মহল সবসময়ই সক্রিয়। (Bangladesh Rally)কূটনীতিকদের আশংকা ভোটার তালিকা সংশোধন এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারী পুশব্যাককে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বাড়ানোর চেষ্টা হতে পারে। তবে দুই দেশের সম্পর্ক এই মুহূর্তে জটিল এবং এ ধরনের ঘটনা উভয় পক্ষের জন্যই সংবেদনশীল। ভারত সরকার এ বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
কূটনীতিক এবং রাজনৈতিক মহলের আশংকা, এই ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে তা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন করে প্রশ্ন তুলবে। অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়কে প্রতিবেশী দেশের মঞ্চে নিয়ে যাওয়া উভয় দেশের জন্যই জটিলতা তৈরি করতে পারে।