এআই অথবা মহিষাসুর
গল্পে দেখানো হয়েছিল, একটি ওয়্যারহাউসে টেকনোলজিক্যাল কোনও গোলমালের পরে একদল মেটালের রোবট বেরিয়ে পড়েছে রাস্তায়। রোবটগুলির গড়ন কুকুরের মতো। অনেকটা বোস্টন ডায়নামিক্স সংস্থা কুকুরের মতো গড়নের যে রোবট তৈরি করে, যার হাঁটা-চলা, দৌড়নো, দরজা খোলার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় যেমন চোখে পড়ে, সেই ধরনের।
কিন্তু মেটালহেডের কুকুরগুলো শুধু হেঁটে-চলে বেড়াত না। তারা থার্মাল স্ক্যান করে প্রাণের সন্ধান করত। তার পর ছুটে যেত সেই স্পন্দন লক্ষ্য করে। তার একটাই লক্ষ্য— খুন করা। মানুষের কাছে পৌঁছে গেলে তার সামনের একটি পা থেকে সে গুলি করত অব্যর্থ লক্ষ্যে।
যাঁরা দেখেছেন এপিসোডটি, তাঁদের মনে নিশ্চয়ই থেকে গিয়েছে সেই ভয়াবহতা। মানুষের কন্ট্রোল চলে গেলে কী সাঙ্ঘাতিক রূপই না নিতে পারে রোবট।
অ্যান্থ্রোপিক, বা ওপেন এআই-এর মতো এআই তৈরির সংস্থায় কাজ করা বিশেষজ্ঞরাই বলছেন, এই ব্যাপারটা আর কল্পনা নয়। মানুষের নিয়ন্ত্রণ কেটে বেরোতে শিখে গেছে অনেক এআই মডেল। ভয়ঙ্কর হতে চলা মহিষাসুরকে বধ করে দেবলোকে শান্তি ফিরিয়েছিলেন দেবী দুর্গা। কিন্তু এআই দুনিয়ায় স্বাধীনচেতা এজেন্টদের বধ করবে কোন দেবী? উত্তরটা অজানা খোদ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মডেল যারা তৈরি করে, সেই সংস্থাগুলির। তাই অজানা আশঙ্কা গ্রাস করতে শুরু করেছে সবজান্তা মনুষ্য প্রজাতিকেই।