অতিরিক্ত ক্ষমাসুলভ মনোভাব! সুপ্রিম–অবস্থানে উষ্মা জাস্টিসের
খুনের মামলায় সাজাপ্রাপ্ত এক আসামির সাজার মেয়াদ কমানোর (রেমিশন) আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার চলছিল বিচারপতি দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর ডিভিশন বেঞ্চে। সেখানেই আগের একটি মামলায় শীর্ষ আদালতের নির্দেশের প্রসঙ্গ টেনে মৌখিক পর্যবেক্ষণ দেন বিচারপতি দত্ত। তবে বেঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, এটি এজলাসের পর্যবেক্ষণ মাত্র, কোনও আনুষ্ঠানিক রায় বা নির্দেশ নয়। সংশ্লিষ্ট আবেদনের ভাগ্যও এখনও নির্ধারিত হয়নি। তবে অনেক ক্ষেত্রে শীর্ষ আদালতের মাত্রাতিরিক্ত ‘ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিভঙ্গি’ই কি দেশে ধর্ষণ–খুনের মতো নৃশংস অপরাধের লাগামহীন পরিস্থিতির জন্য দায়ী— এমনই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন বিচারপতি দত্ত। আইনজীবীদের একাংশের ব্যাখ্যা, ফাঁসির সাজা রদের ক্ষেত্রে আদালতের এ বার কোথাও একটা সীমারেখা টানা প্রয়োজন— এটাই বুঝিয়েছেন তিনি। বিচারপতি দত্ত মনে করিয়ে দেন, আইনের বহুচর্চিত ‘বিরলের মধ্যে বিরলতম’ নীতিটি যখন তৈরি হয়েছিল, তখন সমাজে এই ধরনের ঘটনা বাস্তবিকই বিরল ছিল। কিন্তু বর্তমান ভারতের পরিস্থিতি আর আগের মতো নেই।