৭০ শতাংশের বেশি মুসলিম অধ্যুষিত রেজিনগরে ৭৬ হাজারে জিতল বিজেপি, রাজ্যে বদলাচ্ছে ভোটের সমীকরণ?
নন্দীগ্রাম জেতা আসন। কিন্তু যাবতীয় জল্পনা ছিল ৭০ শতাংশের বেশি মুসলিম অধ্যুষিত রেজিনগর নিয়ে। তবে গত মঙ্গলবার ভোটগ্রহণের যে ছবি দেখা গিয়েছিল, বিরোধীরা একযোগে যে ভাবে পুলিশি মদতে ভোটলুটের অভিযোগে সরব হন, তাতে জল্পনার অবসান প্রায় হয়েই গিয়েছিল। শুক্রবার শুধু সিলমোহর পড়ল মাত্র। ফলতার ‘রেকর্ড’ ভেঙে নন্দীগ্রামে বিজেপি ১ লক্ষ ২৩ হাজার ভোটে তো জিতেইছে। মুর্শিদাবাদের রেজিনগরেও প্রায় ৭৬ হাজার ভোটে জিতল বর্তমান শাসকদল।
এই ফলাফলের পরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, সংখ্যালঘু মুসলিমদের একটি বড় অংশ যে বিজেপির ‘রাষ্ট্রবাদী’ সরকারকেই সমর্থন করছে, তা রেজিনগর এবং নন্দীগ্রামের ভোট প্রমাণ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, সংখ্যালঘুদের বোঝানো হয়েছিল, বিজেপি ক্ষমতায় এলে তাঁদের বাংলাদেশে পাঠানো হবে। আটকে রাখা হবে ডিটেনশন শিবিরে। ধর্মের স্বাধীনতা তাঁদের থাকবে না। কিন্তু গত পাঁচ মাসে এই সরকারের পরিচালনা দেখে সেই মানুষেরা বুঝেছেন, তাঁদের ভুলই বোঝানো হয়েছিল। শুভেন্দু বলেন, ‘বাঙালি মুসলমানদের বেশির ভাগ রাজ্যের উন্নয়ন যজ্ঞের সঙ্গে থাকতে চাইছেন। আগামী দিনে আমরা ৬০% ভোট পাব। সরকারের যত উন্নয়ন প্রকল্প, সেখানে মুসলমান দিদি-বোনেরা রয়েছেন।’ তাঁর সংযোজন, ‘এ বছর হাওড়া-কলকাতা পুরসভা, আগামী বছর ১১০টি পুরসভা, ২০২৮ সালে পঞ্চায়েত ভোট এবং ২০২৯ সালে ৪২টির মধ্যে ৪২টি আসন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে উপহার দিয়ে এ রাজ্যে রাষ্ট্রবাদী সরকারের বৃত্ত সম্পূর্ণ করা হবে।’