এক যুদ্ধবিমানে পুরো স্কোয়াড্রন, ষষ্ঠ প্রজন্মের আকাশযুদ্ধে বদলাচ্ছে সমীকরণ
Future Warfare: ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও চিন ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমেছে। নতুন প্রজন্মের এই যুদ্ধবিমানকে শুধু আরও দ্রুত বা আরও শক্তিশালী বিমান হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বরং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্টেলথ, ড্রোন এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাকে একসঙ্গে ব্যবহার করে এগুলিকে ভবিষ্যৎ যুদ্ধক্ষেত্রের কমান্ড নোড হিসেবে তৈরি করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
এফ-২২ র্যাপ্টর, এফ-৩৫ লাইটনিং ২ এবং চিনের জে-২০-এর মতো পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান ইতিমধ্যেই স্টেলথ, সেন্সর ফিউশন এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতনতার ক্ষেত্রে যুদ্ধের ধরন বদলে দিয়েছে। কিন্তু সামরিক পরিকল্পনাকারীরা মনে করছেন, আগামী দিনের আকাশযুদ্ধে শুধু একটি শক্তিশালী যুদ্ধবিমান যথেষ্ট হবে না। একটি বিমানকে একই সঙ্গে একাধিক ড্রোন, সেন্সর, উপগ্রহ এবং অন্যান্য সামরিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করতে হবে।
ছয়টি কর্মসূচিতে ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান
বর্তমানে ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য ছয়টি কর্মসূচি চলছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও চিন দুটি করে কর্মসূচি পরিচালনা করছে। তাদের পিছনে রয়েছে যুক্তরাজ্য, জাপান, ইতালি এবং ইউরোপের আরও কয়েকটি দেশ।
যুক্তরাষ্ট্রের নেক্সট জেনারেশন এয়ার ডমিন্যান্স বা এনজিএডি, মার্কিন নৌবাহিনীর এফ/এ-এক্সএক্স, যুক্তরাজ্য-জাপান-ইতালির গ্লোবাল কমব্যাট এয়ার প্রোগ্রাম বা জিক্যাপ এবং ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন ফিউচার কমব্যাট এয়ার সিস্টেম বা এফসিএএস-এর লক্ষ্য ২০৩০-এর দশকে কার্যকর যুদ্ধবিমান তৈরি করা।
চিনও দ্রুত এগোচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। জে-৩৬ এবং জে-৫০ নামে চিহ্নিত উন্নত প্রোটোটাইপের পরীক্ষা নিয়ে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে নজর তৈরি হয়েছে।
কেন ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান প্রয়োজন?
ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির পিছনে শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয়, ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনও বড় কারণ। শীতল যুদ্ধের পর দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক বিমান শক্তিতে উল্লেখযোগ্য আধিপত্য ধরে রেখেছে। কিন্তু চিনের দ্রুত বিমানবাহিনী আধুনিকীকরণ, রাশিয়ার উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ যুদ্ধক্ষেত্রের জটিলতা সেই অবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করছে।
বিশেষ করে অ্যান্টি-অ্যাক্সেস বা এরিয়া-ডিনায়াল ব্যবস্থার বিস্তার গুরুত্বপূর্ণ। চিনের মতো দেশ দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং অ্যান্টি-স্যাটেলাইট সক্ষমতায় বিনিয়োগ করেছে। এর ফলে প্রতিপক্ষের বিমানকে নিজেদের ঘাঁটি থেকে অনেক দূরে গিয়ে যুদ্ধ করতে হতে পারে। ইন্দো-প্যাসিফিকে সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় আকাশে থাকা এবং বেশি দূরত্ব অতিক্রম করার ক্ষমতা তাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
শুধু স্টেলথ নয়, এআই হবে বড় অস্ত্র
ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের কোনও সর্বজনস্বীকৃত সংজ্ঞা এখনও নেই। তবে কয়েকটি বৈশিষ্ট্যকে এই প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এআইকে পাইলটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার পরিবর্তে ডিজিটাল সহকারী হিসেবে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এটি বিপুল পরিমাণ তথ্য দ্রুত বিশ্লেষণ করে হুমকি শনাক্ত, নেভিগেশন, সেন্সর পরিচালনা, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং লক্ষ্য অগ্রাধিকার নির্ধারণে পাইলটকে সহায়তা করতে পারে।
আধুনিক আকাশযুদ্ধে একজন পাইলটের পক্ষে সব সেন্সর থেকে আসা তথ্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা প্রায় অসম্ভব। এআই সেই তথ্য ছেঁকে প্রয়োজনীয় বিষয় পাইলটের সামনে তুলে ধরতে পারে। চূড়ান্ত প্রাণঘাতী সিদ্ধান্ত অবশ্য মানুষের নিয়ন্ত্রণেই রাখার ধারণা রয়েছে।
একটি যুদ্ধবিমান নিয়ন্ত্রণ করবে একাধিক ড্রোন
ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানের অন্যতম বড় পরিবর্তন হতে পারে ম্যানড-আনম্যানড টিমিং। অর্থাৎ একজন পাইলটের যুদ্ধবিমান একই সঙ্গে একাধিক স্বয়ংক্রিয় বা আধা-স্বয়ংক্রিয় ড্রোন পরিচালনা করতে পারবে।
এই ড্রোনগুলিকে অনেক সময় ‘লয়্যাল উইংম্যান’ বা কোলাবোরেটিভ কমব্যাট এয়ারক্রাফট বলা হচ্ছে। তারা গোয়েন্দা নজরদারি, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ, আক্রমণ, ডিকয় এবং যোগাযোগ রিলে হিসেবে কাজ করতে পারে।
ফলে একটি যুদ্ধবিমান শুধু নিজের অস্ত্র ব্যবহার করবে না। তার সঙ্গে থাকা একাধিক ড্রোনও আলাদা আলাদা দায়িত্ব পালন করবে। এর ফলে একজন পাইলটের নিয়ন্ত্রণাধীন যুদ্ধক্ষমতা একটি বিমানের তুলনায় অনেক গুণ বাড়তে পারে।
স্টেলথের সংজ্ঞাও বদলাচ্ছে
পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানে স্টেলথ প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল রাডারে বিমানের উপস্থিতি কমিয়ে আনা। ষষ্ঠ প্রজন্মের নকশায় সেই ধারণা আরও বিস্তৃত হচ্ছে। ভবিষ্যৎ যুদ্ধবিমানকে শুধু রাডার থেকে নয়, ইনফ্রারেড এবং ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক সিগন্যালের মাধ্যমেও শনাক্ত করা কঠিন করার চেষ্টা চলছে। ইঞ্জিনের তাপ বা কোনও ধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণও শত্রুর কাছে বিমানের অবস্থান প্রকাশ করতে পারে। উন্নত ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থার মাধ্যমে শত্রুর সেন্সরকে বিভ্রান্ত বা প্রতারিত করার ক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
যুদ্ধবিমান থেকে কমব্যাট নেটওয়ার্ক
ষষ্ঠ প্রজন্মের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন সম্ভবত প্ল্যাটফর্ম-কেন্দ্রিক যুদ্ধ থেকে নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধে যাওয়া। ভবিষ্যৎ যুদ্ধবিমান এমন একটি কমব্যাট ক্লাউডের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে, যেখানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, উপগ্রহ, যুদ্ধজাহাজ, স্থলবাহিনী এবং কমান্ড সেন্টার একে অপরের সঙ্গে তথ্য ভাগ করে নেবে। একটি প্ল্যাটফর্ম যে তথ্য সংগ্রহ করবে, তা নেটওয়ার্কের অন্য সদস্যরাও ব্যবহার করতে পারবে। ফলে যুদ্ধবিমান নিজে যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে পুরো নেটওয়ার্কের একটি নোড হিসেবে তার ভূমিকা।
নতুন ইঞ্জিন ও নির্দেশিত শক্তির অস্ত্র
ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমানে অ্যাডাপ্টিভ-সাইকেল ইঞ্জিন ব্যবহারের কাজও চলছে। এই ধরনের ইঞ্জিন প্রয়োজন অনুযায়ী বেশি শক্তি এবং বেশি জ্বালানি দক্ষতার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করতে পারে।
প্রচলিত ইঞ্জিন সাধারণত শক্তি অথবা দক্ষতার মধ্যে একটি দিকে বেশি গুরুত্ব দেয়। অ্যাডাপ্টিভ-সাইকেল প্রযুক্তি দুটির সমন্বয় করার পাশাপাশি বিমানের পাল্লা এবং তাপ নিয়ন্ত্রণেও সুবিধা দিতে পারে।
এছাড়া উচ্চশক্তির লেজারের মতো ডিরেক্টেড-এনার্জি অস্ত্র নিয়েও গবেষণা চলছে। তবে এই প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত শক্তি উৎপাদন এবং তাপ নিয়ন্ত্রণ এখনও বড় চ্যালেঞ্জ।
যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৪৭ ও এনজিএডি
যুক্তরাষ্ট্র নেক্সট জেনারেশন এয়ার ডমিন্যান্স কর্মসূচির মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিমান শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে চাইছে। এটি শুধু একটি যুদ্ধবিমান তৈরির প্রকল্প নয়, বরং একটি সম্পূর্ণ সিস্টেম-অফ-সিস্টেমস হিসেবে পরিকল্পিত।
বোয়িংয়ের তৈরি এফ-৪৭ এই কর্মসূচির মূল যুদ্ধবিমান হিসেবে তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘ পাল্লা, উন্নত স্টেলথ এবং কোলাবোরেটিভ ড্রোনের সঙ্গে সমন্বয় এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হতে পারে।
মার্কিন নৌবাহিনী একই সময়ে এফ/এ-এক্সএক্স কর্মসূচির মাধ্যমে সুপার হর্নেটের কিছু অংশের বিকল্প তৈরি করছে। এই ব্যবস্থাতেও নেটওয়ার্ক এবং ড্রোনের সঙ্গে সমন্বয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
চিনের জে-৩৬ ও জে-৫০ নিয়ে নজর
চিনের জে-২০ ইতিমধ্যেই পশ্চিমা দেশগুলির বিমান প্রযুক্তির সামনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এখন জে-৩৬ এবং জে-৫০-এর মতো প্রোটোটাইপের উপস্থিতি চিনের ষষ্ঠ প্রজন্মের সক্ষমতা নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
এই বিমানগুলির নকশায় উন্নত স্টেলথ, টেললেস কনফিগারেশন এবং নেটওয়ার্ক-কেন্দ্রিক যুদ্ধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্য দেখা যাচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন।
চিনের বৃহত্তর সামরিক আধুনিকীকরণ পরিকল্পনাতেও সিস্টেম-অফ-সিস্টেমস যুদ্ধের উপর গুরুত্ব রয়েছে। এই ধারণার সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলির ভবিষ্যৎ যুদ্ধ পরিকল্পনার বেশ কিছু মিল রয়েছে।
ইউরোপের জিক্যাপ ও এফসিএএস
ইউরোপের দেশগুলি ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরিতে বহুপাক্ষিক সহযোগিতার পথ বেছে নিয়েছে। যুক্তরাজ্য, জাপান এবং ইতালি মিলে জিক্যাপ কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এই কর্মসূচির যুদ্ধবিমান প্রায় ২০৩৫ সালের দিকে পরিষেবায় প্রবেশের লক্ষ্য রয়েছে। এটি ইউরোফাইটার টাইফুন এবং জাপানের এফ-২-এর জায়গা নেওয়ার জন্য তৈরি হবে।
অন্যদিকে ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন এফসিএএস কর্মসূচিতে নিউ জেনারেশন ফাইটার, রিমোট ক্যারিয়ার ড্রোন এবং একটি যৌথ ডিজিটাল কমব্যাট ক্লাউড তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।
ষষ্ঠ প্রজন্মের দৌড়ে ভারত
ভারতও ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, ভারত পঞ্চম প্রজন্মের পাশাপাশি ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির লক্ষ্য রাখছে।
এই আলোচনা এমন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যখন ভারতীয় বায়ুসেনার স্কোয়াড্রন সংখ্যা ৪২-এর অনুমোদিত শক্তির বিপরীতে ২৯। অর্থাৎ অনুমোদিত শক্তির প্রায় ৭০ শতাংশ স্কোয়াড্রন বর্তমানে রয়েছে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জিক্যাপ এবং এফসিএএস, দুই কর্মসূচির সঙ্গেই যোগাযোগ রাখছে। ফ্রান্স এখন এফসিএএস-এর নেতৃত্ব দিচ্ছে এবং স্পেন অংশীদার হিসেবে রয়েছে। এফসিএএস-এর প্রথম উড়ান প্রায় ২০২৮-২৯ সালের দিকে হওয়ার কথা। একই সময়ের কাছাকাছি ভারতের অ্যাডভান্সড মিডিয়াম কমব্যাট এয়ারক্রাফটের প্রথম উড়ানের পরিকল্পনাও রয়েছে।
ভারতের জন্য দুই কর্মসূচির সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অর্থ শুধু একটি দেশ বা প্রকল্প বেছে নেওয়া নয়। ভবিষ্যতের বিমানযুদ্ধের প্রযুক্তি ও যুদ্ধ কাঠামো তৈরিতে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি করাও এর অন্যতম লক্ষ্য হতে পারে।
ভবিষ্যতের যুদ্ধে পাইলটের ভূমিকা বদলাবে
আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কাছাকাছি দূরত্বের আকাশযুদ্ধের গুরুত্ব কমে গিয়ে তথ্যের আধিপত্য, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ এবং দীর্ঘপাল্লার আক্রমণ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
ভবিষ্যতে পাইলট হয়তো শুধু একটি যুদ্ধবিমান চালাবেন না। তিনি একই সঙ্গে একাধিক ড্রোন এবং অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। অর্থাৎ পাইলটের ভূমিকা ধীরে ধীরে সরাসরি অস্ত্র পরিচালনাকারী থেকে মিশন কমান্ডারের দিকে যেতে পারে।
ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তাই শুধু আরও দ্রুত, আরও স্টেলথযুক্ত বা আরও শক্তিশালী একটি বিমান নয়। এর মূল পরিবর্তন হল বিমান, ড্রোন, সেন্সর, উপগ্রহ এবং বিভিন্ন সামরিক বাহিনীকে একটি সমন্বিত নেটওয়ার্কে যুক্ত করা। ভবিষ্যতের আকাশযুদ্ধে শেষ পর্যন্ত একটি নির্দিষ্ট যুদ্ধবিমানের ক্ষমতার চেয়ে পুরো যুদ্ধব্যবস্থার তথ্য সংগ্রহ, সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সমন্বয়ের ক্ষমতাই বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে।
Defence News-এর সর্বশেষ আপডেট। ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, সামরিক মহড়া, যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির খবর পড়ুন।