‘কে এই ছেলেটা’ থেকে ‘প্রিয় মানুষ’ হয়ে ওঠা, শাশুড়ির মন জয় করার কৌশল শেখাচ্ছেন রণবীর
বলিউডের অন্যতম ‘পাওয়ার কাপল’ রণবীর সিং এবং দীপিকা পাডুকোন-এর সম্পর্কের রসায়ন সর্বজনবিদিত। তবে তাঁদের সম্পর্কের শুরুটা কেমন ছিল, তা হয়তো অনেকেই জানেন না। দীপিকার মা অর্থাৎ শাশুড়ি অনিতা পাডুকোনকে এই বিয়ের জন্য রাজি করানো মোটেও সহজ ছিল না রণবীরের কাছে। করণ জোহরের চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ’-এ এসে রণবীর নিজেই ফাঁস করেছিলেন কী ভাবে শুরুর দিকের কঠিন পরিস্থিতি পেরিয়ে আজ তিনি তাঁর শাশুড়ির সবচেয়ে প্রিয় মানুষের একজন হয়ে উঠেছেন।
রণবীর সিং বলেন, ‘আমি ব্যাঙ্গালোরে ওদের বাড়িতে দরজায় কান পেতে শুনতাম আম্মা আর দীপিকা তর্ক করছে। আম্মা বলছে, কে এই ছেলেটা? ও তোমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিল আর তুমি হ্যাঁ-ও বলে দিলে? সত্যি কথা বলতে কী, আম্মার মনে জায়গা করে নিতে আমার বহু বছর লেগেছে এবং অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। কিন্তু আজ আমি ওঁর অন্যতম প্রিয় মানুষ!’ বিয়ের পরে শাশুড়ি বা শ্বশুরবাড়ির মন জয় করা এবং সম্পর্ক সুস্থ রাখার কৌশল সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মত কী? ‘ও আমার…’, বিবাহিত ছেলের উপর মায়ের বাড়তি অধিকারবোধ কি সুস্থ সম্পর্কের দৃষ্টান্ত?
শ্বশুরবাড়ির মন জয় করতে মনোবিদদের বিশেষ টিপস
-
অতিরিক্ত তোষামোদ করার বদলে নিজের প্রকৃত ব্যক্তিত্ব বজায় রাখুন। শ্রদ্ধা প্রদর্শন করুন, তবে অকৃত্রিম থাকুন।
-
কেউ প্রথম দেখায় আপনাকে পছন্দ না-ও করতে পারেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আপনার ইতিবাচক আচরণই তাঁদের ধারণা বদলে দেবে।
-
রান্না, পারিবারিক ঐতিহ্য, আড্ডা বা হাস্যরসের মাধ্যমে সম্পর্ক সহজ করে তুলুন।
4. যে কোনও মতপার্থক্যে সঙ্গীকে নিজের বা তাঁর পরিবারের পক্ষে টানাপড়েনে ফেলবেন না।
5. নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের গোপনীয়তা বজায় রাখুন, তবে তা যেন কটু সম্পর্কের রূপ না নেয়।
6. গভীর আবেগঘন সম্পর্ক তৈরি না হলেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রাখাই একটি সুস্থ সম্পর্কের লক্ষণ।