সাধ্যের মধ্যে সাধের বাড়ির ‘সংজ্ঞা’ বদল চাইছে ক্রেডাই
তিনি জানান, আগামী দিনে কমদামি, সাধ্যের মধ্যে আবাসনকে কীসের ভিত্তিতে যাচাই করা হবে, তা স্থির করতে হবে। সেই জন্য নতুন মাপকাঠি নির্ধারণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে। শেখরের কথায়, ‘বর্তমানে অ্যাফর্ডেবল হাউজ়িং বা সাধ্যের মধ্যে আবাসনের দাম ৪৫ লক্ষ টাকার মধ্যে বেধে দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই এই ঊর্ধ্বসীমা তুলে দেওয়া হোক। এর বদলে ফ্ল্যাট-এর আয়তনের উপরে ভিত্তি করে নতুন মাপকাঠি তৈরি হোক। আমরা চাই, মেট্রো শহরের ক্ষেত্রে এই মাপকাঠি ৬০ বর্গ মিটার এবং নন-মেট্রো সিটির ক্ষেত্রে তা ৯০ বর্গ মিটার করা হোক।’ উল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশে মোট আবাসন বিক্রির ক্ষেত্রে অ্যাফর্ডেবল হোমস-এর মার্কেট শেয়ার নেমে এসেছে ১৪ শতাংশে।
অন্য দিকে, উৎসবের মরশুমে দেশজুড়ে ফ্ল্যাট কেনার প্রবণতা বাড়বে বলে আশাবাদী ক্রেডাই-এর চেয়ারম্যান বোমান ইরানি। তিনি কলকাতা নিয়েও আশার কথা শুনিয়েছেন। এ দিন তিনি বলেন, ‘শহরে নতুন নির্মাণ ও পুরোনো বাড়ি রিডেভেলপমেন্ট-এর ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।’ এ বিষয়ে ক্রেডাই ওয়েস্ট বেঙ্গল-এর প্রেসিডেন্ট সুশীল মোহতা বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে গত কয়েক দশক ধরে নীতিগত পঙ্গুত্ব (পলিসি প্যারালিসিস) চলছিল। বিজেপি সরকার আসার পরে পরিস্থিতির উন্নতি হতে চলেছে।’