লড়াইয়ের ময়দানে বিরোধীরা নেই, নন্দীগ্রামে প্রচারে গিয়ে কটাক্ষ শমীকের
এই সময়, নন্দীগ্রাম: লড়াইয়ের ময়দানে নেই বিরোধীরা। যা স্বাভাবিক ভাবে একটা বিপজ্জনক গণতান্ত্রিক পরিবেশ তৈরি করেছে। বৃহস্পতিবার নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারে এসে বিরোধীদের এ ভাবেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
এ দিন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সমর্থনে গোকুলনগরের জনসভায় শমীক বলেন, ‘আমরা তো চাই বিরোধী দল থাকুক। বিরোধী শক্তি তৈরি হোক।’ নন্দীগ্রাম–১ ব্লকের আমগেছিয়া থেকে তেখালি পর্যন্ত বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে এ দিন রোড শো করেন শমীক। পরে গোকুলনগর গোবিন্দজিউ হাই স্কুল মাঠে জনসভায় বিরোধী দলগুলির সমালোচনা করে শমীক বলেন, ‘নন্দীগ্রামের আন্দোলন ও লড়াইয়ে মানুষের পাশে বিজেপি বরাবর ছিল। ২০০৭–এর জমি আন্দোলন পর্বেও লালকৃষ্ণ আডবাণী, সুষমা স্বরাজ, এসএস আলুওয়ালিয়া–সহ বহু শীর্ষ নেতা এসেছিলেন। সেই সংগ্রামের মাটি থেকে হাসিরানি রথ বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে বিধানসভায় পৌঁছবেন।’
রাজ্যে বিজেপি সরকারের চার মাসের কাজের খতিয়ান তুলে ধরে রাজ্য সভাপতি জানান, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগে নতুন দিগন্তের সূচনা হচ্ছে বাংলায়। রাজ্যে একাধিক শিল্পে বিনিয়োগ ঘটতে চলেছে। তৃণমূলের আমলে ভুরিভুরি অনিয়ম, কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সংঘাতের নীতি রাজ্যের যুবসমাজ ও দু’টি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন। শমীক বলেন, ‘বাংলায় পরিবর্তনের পরে আমরা কাউকে জোর করে পদত্যাগ করাচ্ছি না। পঞ্চায়েত থেকে পুরসভা, তৃণমূলের দাপুটে নেতারা নিজেরাই একে একে পদত্যাগ করছেন। এর ফলে বাংলার মানুষ পুরপরিষেবা, সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এর জন্য একমাত্র দায়ী তৃণমূল।’
তাঁর কথায়, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এনেছেন। তেমনি ভাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে রাজ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার কাজ করছে। কোনওরকম বৈষম্যের রাজনীতি ছাড়াই উন্নয়ন ও পরিবর্তনের লক্ষ্যে রাজ্য সরকার কাজ করছে।’ আগামী আট মাসের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে শিল্প ও সার্বিক পরিবর্তনের বিপ্লব দেখা যাবে বলে এ দিন আশাপ্রকাশ করেন শমীক।