‘রাজনীতি এখন স্কাউন্ড্রেলদের আস্তাকুঁড়’,ক্ষোভ উগড়ে রাজনীতি থেকে অবসরের পথে মদন?
কলকাতা: রাজনীতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও বক্তির ঝড়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা তুঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী এবং কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের গলায়…
কলকাতা: রাজনীতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ ও বক্তির ঝড়ে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা তুঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী এবং কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের গলায় এ বার শোনা গেল রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর স্পষ্ট ইঙ্গিত। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির তীব্র সমালোচনা করে তাঁর মন্তব্য, রাজনীতি এখন একপ্রকার অসাধু ও বখাটেদের আস্তাকুঁড়ে পরিণত হয়েছে।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে কামারহাটি থেকে জয়ী হলেও সাম্প্রতিক সময়ে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব ক্রমশ বাড়ছিল। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে গত ১৫ জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দেন মদন মিত্র। এরপর তাঁকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিতে এবং গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের মঞ্চে (২১ জুলাই) ও বৈঠকে অংশ নিতে দেখা যায়। এমনকি সম্প্রতি নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতেও পিছপা হননি তিনি।
হঠাৎ কেন এমন বদল? এই প্রশ্নের উত্তরে রাজনীতির নিম্নমানকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন মদন মিত্র। তাঁর বিস্ফোরক মন্তব্য, “যত দিন যাচ্ছে, রাজনীতির উপরে আমার ঘৃণা ছাড়া আর কিছু বাড়ছে না। আমার মনের মধ্যে প্রতি মুহূর্তে বেরিয়ে আসছে, সবাই না-হলেও, রাজনীতি এখন স্কাউন্ড্রেলদের (বখাটে) শেষ রিসর্টে পরিণত হচ্ছে। স্কাউন্ড্রেলদের আস্তাকুঁড় হয়ে গিয়েছে।” ব্যক্তিগতভাবে তিনি যে রাজনীতি থেকে আস্তে আস্তে গুটিয়ে নেওয়ার বা সরে দাঁড়ানোর কথা ভাবছেন, তা এ দিন তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের অন্দরের নানা সমীকরণ এবং কলকাতার মেট্রোপলিটনে তাঁর প্রতিষ্ঠিত গণেশ পুজোর দখল ঘিরে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক টানাপোড়েনের ফলেই মদন মিত্রের এই ক্ষোভ এবং অবস্থান পরিবর্তন, যা রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা