গুয়াহাটিতে ছাত্রীর রহস্যমৃত্যুতে আটক প্রেমিক
মেয়ের বিপদ আঁচ করে আজ়ারা থানার দ্বারস্থ হয় তাঁর পরিবার। তরুণীর ফোন লোকেশন ট্র্যাক করে শুরু হয় খোঁজ। আধ ঘণ্টার মধ্যে জানা যায়, তরুণী গরল প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রয়েছেন। তাঁর পরিচয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার পরেই বাবা–মায়ের কথামতো তাঁকে গুয়াহাটি মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করে পুলিশ। কিন্তু সেখানে নিয়ে যাওয়া হলে ওই তরুণীকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। তরুণীর বাবা–মাকে পুলিশ জানায়, গুয়াহাটির শহরতলি এলাকা ধারাপুর–গরলের একটি হোম–স্টের ঘরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল তাঁদের মেয়েকে, সেখান থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ঘরেই ছিলেন তরুণীর প্রেমিক আশিক। তাঁর দাবি, আত্মহত্যা করেছেন তরুণী। কিন্তু মেয়েটির বাবার বক্তব্য, ‘আমার মেয়ে যে ভাবে কাঁদতে কাঁদতে ফোন করেছিল এবং ওর দেহে যত আঘাতের চিহ্ন মিলেছে, তাতে স্পষ্ট—নৃশংস অত্যাচার ও গণধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে ওকে।’