উত্তরপ্রদেশে বৃষ্টির জেরে ভয়ংকর বিপর্যয়! বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫৭
কলকাতা: গত ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় পূর্ব ও মধ্য ভারতে ভারী বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তরপ্রদেশ।…
কলকাতা: গত ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টায় পূর্ব ও মধ্য ভারতে ভারী বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উত্তরপ্রদেশ। লাগাতার বর্ষণ ও তার জেরে সৃষ্ট বন্যায় উত্তরপ্রদেশে কমপক্ষে ৫৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। জলে ভেসে গিয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকার ফসল, ভেঙে পড়েছে ঘরবাড়ি। জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাজ্যের অধিকাংশ জেলায়।
রাজ্যের ৭৫টি জেলার মধ্যে অন্তত ৬৩টি জেলাই স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করেছে। গত ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উত্তরপ্রদেশে ১১১.৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, যা এই সময়ের স্বাভাবিক গড়ের (৯.৪ মিলিমিটার) তুলনায় প্রায় ১,০৮৪ শতাংশ বেশি।
প্রবল বৃষ্টির জেরে উন্নাওয়ের বশিরতগঞ্জ টোল প্লাজার কাছে ৫৯৪ কিমি দীর্ঘ গ্রিনফিল্ড প্রজেক্ট ‘গঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে’-তে তীব্র জল জমে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
স্কুল ছুটি ও প্রশাসনের জরুরি পদক্ষেপ
পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে লখনউ সহ একাধিক ক্ষতিগ্রস্ত জেলার দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সমস্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ‘রেড’ ও ‘অরেঞ্জ’ অ্যালার্ট জারি থাকা জেলাগুলির জেলা শাসকদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের ভিডিও কনফারেন্স করে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন রিলিফ কমিশনার যশোদ্। যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনকে সম্পূর্ণ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মহারাাজগঞ্জে নদীর জল বৃদ্ধি
এদিকে, লাগাতার বৃষ্টি এবং নেপাল থেকে জল ছাড়ার ফলে মহারাজগঞ্জে গণ্ডক নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর জেরে তিনটি গ্রামে প্লাবিত হয়ে প্রায় ৫,০০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। জেলা প্রশাসন ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (SDRF)-র পক্ষ থেকে দ্রুত উদ্ধারকার্য চালিয়ে সীমান্তবর্তী ও প্লাবিত অঞ্চলগুলি থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছে।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা