দৃষ্টি নেই অমৃতার, পাশে দীপক-শর্মিলা
এ দিন কয়েকজন চিকিৎসক ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্তাদের নিয়ে কমলাদিঘি গ্রামে হাজির হন সরকার দম্পতি। গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন, দিন দশেক আগে থেকেই অমৃতার ভেঙে যাওয়া ঘর ঠিক করার ব্যবস্থা করেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, অমৃতার যখন তিন বছর বয়স তখন তাঁর মা মারা যায়। দৃষ্টিহীন মেয়েকে ছেড়ে অন্য মহিলার সঙ্গে সংসার পাতেন তাঁর বাবা। একমাত্র পিসির কাছে থেকে ধীরে ধীরে মানুষ হয় অমৃতা। কিন্তু কয়েক বছর আগে তিনিও তাঁকে বাড়িতে রেখে দিল্লিতে কাজের সূত্রে চলে যান। তার পর থেকেই শুরু হয় অর্ধাহারে, অনাহারে থাকা। গ্রামবাসীরা খেতে দিলে খাবার জুটত, নইলে অভুক্ত থাকতে হতো তাঁকে।