ডাবল মাস্টার্স, তবু চাকরি মেলেনি মৃৎশিল্পী চঞ্চলের
দিব্যেন্দু সিনহা, জলপাইগুড়ি
মৃৎশিল্পী হিসেবে নামডাক ছিল জলপাইগুড়ির নরেন পালের। প্রতিমা গড়ে খুব কষ্ট করেই সংসার চালাতেন তিনি। নরেন চাননি, ছেলে চঞ্চল এই পথে আসুক। তাঁর স্বপ্ন ছিল, পড়াশোনা করে ছেলে সরকারি চাকরি করবে। তাই আর্থিক অনটন সত্ত্বেও সন্তানকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করতে কোনও খামতি রাখেননি। বাবার আশাপূরণ করতে চঞ্চলও ছোট থেকে পড়াশোনায় মন দিয়েছিলেন। ফলও পেয়েছেন। একবার এম কম এবং একবার এম এ পাশ করেছেন তিনি। দিয়েছেন অসংখ্য সরকারি চাকরির পরীক্ষাও। তার পরেও চাকরি জোটেনি। শেষমেশ সংসার সামলাতে বাবার পেশাতেই হাত পাকানো শুরু করেন চঞ্চল। বর্তমানে বাবার মতোই জলপাইগুড়ির সুপরিচিত মৃৎশিল্পী হয়ে উঠেছেন তিনি। নিপুন দক্ষতায় এ বারও প্রতিমা গড়া থেকে সাজসজ্জা- একা হাতে সামলাচ্ছেন ৪৮ বছরের চঞ্চল।