KAL Attack Drone: ছোটে ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটার স্পিডে! অব্যর্থ আঘাত হানতে পারে পাকিস্তানের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত, কতটা শক্তিশালী ভারতের দূরপাল্লার KAL | India’s KAL Attack Drone Successfully Tested in Pokhran, Packs 1,000 Km Range
জয়সলমের: ভারতের প্রতিরক্ষা (India Defence) ব্যবস্থায় এবার নয়া সংযোজন। দীর্ঘপাল্লার একমুখী KAL লং-রেঞ্জ অ্যাটাক ড্রোন। আইজি ডিফেন্সের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে ড্রোনটি। মূলত রাজস্থানের পোখরান মরুভূমিতে এই একমুখী অ্যাটাক ড্রোনের সফল পরীক্ষা করা হয়েছে। দীর্ঘপাল্লার নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত আনার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে ড্রোনটি।
KAL-এর উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য
দীর্ঘপাল্লার ড্রোনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সেগুলি হল
- ড্রোনের পাল্লা সর্বোচ্চ প্রায় ১,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত।
- একটানা প্রায় ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা আকাশে থাকতে সক্ষম দীর্ঘপাল্লার ড্রোনটি।
- প্রায় ৫০ কেজি উচ্চ-বিস্ফোরক ওয়ারহেড বহনের সক্ষমতা রাখে।
- ড্রোনের গতি প্রায় ১৬০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। সর্বোচ্চ গতি প্রায় ২০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।
- সর্বোচ্চ প্রায় ৫,০০০ মিটার উচ্চতায় পরিচালনার জন্য তৈরি হয়েছে।
- আইজি ডিফেন্সের নিজস্ব গ্রিড (GRID) ব্যাটল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে কাজ করে ড্রোনটি।
- ড্রোনের আরও একটি বৈশিষ্ট্য হল নির্দিষ্ট এলাকায় দীর্ঘ সময় অবস্থান করে লক্ষ্য শনাক্ত করার পর নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।
- রাডার সাইট, এয়ার ডিফেন্স ব্যাটারি এবং গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত পরিকাঠামোর মতো লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল হামলার জন্য এই ড্রোনের ব্যবহার পরিকল্পিত।
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা
বিশেষজ্ঞদের কাছে দীর্ঘপাল্লা, দীর্ঘ সময় আকাশে থাকার সক্ষমতা এবং দেশীয় ব্যাটল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্তি-KAL-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। পোখরানে সফল পরীক্ষা দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ধরনের আক্রমণাত্মক ড্রোনের সক্ষমতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মূলত, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার লক্ষ্যে KAL-কে আরও এক ধাপ তুলে ধরেছে নির্মাতা সংস্থা।