Shatrughan Sinha wishes PM Modi: 'সবার ভিড়ে আমি না হারিয়ে যাই, সবার আগে 'বন্ধু' মোদীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে জল্পনা উস্কে দিলেন তৃণমূলের এই সাংসদ | Shatrughan Sinha Explains Why He Wished PM Modi Early Amid Political Shifts - 24 Ghanta Bangla News
Home

Shatrughan Sinha wishes PM Modi: ‘সবার ভিড়ে আমি না হারিয়ে যাই, সবার আগে ‘বন্ধু’ মোদীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে জল্পনা উস্কে দিলেন তৃণমূলের এই সাংসদ | Shatrughan Sinha Explains Why He Wished PM Modi Early Amid Political Shifts

Spread the love

রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদলের পর ইতিমধ্যেই তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিতে (NCPI) যোগ দিয়েছেন অন্তত ২০ জন সাংসদ। দলের এই ভাঙনের মুখেও সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত যাঁরা ছাড়েননি, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র এবং শত্রুঘ্ন সিনহারা (Shatrughan Sinha)। এই গুটিকয়েক সাংসদই এখন দলের বড় ভরসা। কিন্তু এই কঠিন রাজনৈতিক আবহের মাঝেই এবার এক বড় চমক দিলেন তৃণমূল সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (Narendra Modi) আগেভাগেই জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে রেখেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিন। কিন্তু সেই বিশেষ দিনের ঠিক একদিন আগে, বুধবারই ‘বন্ধু’ মোদীকে সোশাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানান শত্রুঘ্ন। নিজের এক্স (আগে যার নাম ছিল টুইটার) হ্যান্ডেলে মোদীর সঙ্গে দুটি পুরনো ছবি শেয়ার করেছেন তিনি।

ক্যাপশনে বেশ মজার ছলেই লিখেছেন, “আগামিকাল শুভেচ্ছার বন্যায় হারিয়ে যাওয়ার আগেই আপনাকে আগাম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আইডিয়াটা কেমন লাগল স্যরজি?” ভিড়ের মাঝে তাঁর শুভেচ্ছাবার্তা যাতে কোনও ভাবেই হারিয়ে না যায়, তাই একদিন আগেই এই অভিনব কৌশল নিয়েছেন তিনি।

মোদীর দীর্ঘায়ু কামনা

ওই পোস্টে এই প্রবীণ অভিনেতা আরও লিখেছেন, “আমাদের বন্ধু, সমাজের বন্ধু, সম্মানীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা। আপনি দারুণ স্বাস্থ্য, ভালোবাসা, শান্তি এবং একটি দীর্ঘ সুস্থ জীবন পান, এই প্রার্থনা করি।”

২০১৪ সালের মে মাস থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। গত কয়েক বছরে তাঁর নেতৃত্বে ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’, ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান’-এর মতো একাধিক কাজ হয়েছে। প্রতিবারের মতো এবারও তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে নানা সামাজিক কাজ এবং সেবামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন তাঁর অনুরাগীরা।

রাজনীতির ঊর্ধ্বে ব্যক্তিগত সম্পর্ক

একসময় বিজেপির দাপুটে নেতা ছিলেন শত্রুঘ্ন সিনহা। অটল বিহারী বাজপেয়ীর সরকারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছিলেন তিনি। এরপর কংগ্রেস ঘুরে বর্তমানে তিনি তৃণমূলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ। রাজনৈতিক মতাদর্শ এখন সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু রাজনীতির ময়দানের এই লড়াই যে ব্যক্তিগত সম্পর্কে কখনও প্রভাব ফেলে না, এই শুভেচ্ছাবার্তাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *