Sandeshkhali Update: ‘রাত্রিবেলা ঘরে ঢুকছে পুলিশ, আর মহিলাদের…’, বিস্ফোরক দাবি BJP নেত্রীর – Bengali News | Sandeshkhali Update: BJP Leader Archana Majumdar said that police harassing woman in Sandeshkhali
বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদারImage Credit source: Tv9 Bangla
সন্দেশখালি: শুক্রবার কার্যত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সন্দেশখালিতে। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরা, উত্তম সর্দারদের বিরুদ্ধে রাগে ফুঁসছেন সন্দেশখালির এক অংশের মানুষ। পাল্টা শিবু হাজরার দলকেও এলাকার দখল নিতে দেখা গিয়েছে। এহেন উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। প্রচুর পুলিশ ফোর্স মোতায়েন রয়েছে সন্দেশখালিতে। এর মধ্যে এলাকায় প্রবেশে বাধা পেলেন বিজেপি-র প্রতিনিধি দল।
সর্বশেষ তথ্য উপরে
- অর্চনা মজুমদার আরও বলেন, “পুলিশ শেখ শাহজাহানকে ধরতে পারছে না। অথচ যে দিন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এলেন, পুলিশ কেস দিয়ে দিল। আমরা নাকি পুলিশ পিটিয়েছি। আমরা শুধু কর্মীদের পাশে থাকতে চাইছি।”
- নেত্রী অর্চনা মজুমদার বলেন, “আমরা বন্দুক-বোম নিয়ে আসিনি। মাত্র চারজন এসেছি। আমরা শুধু অত্যাচারিত কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। এখানে রাত্রিবেলা আমাদের কর্মীদের বাড়িতে পুলিশ ঢুকছে। মারধর করছে। মেয়েদেরও মারছে। আমরা দেখা করতে যাব না? আমাদের কর্মীদের উপর কোনও ভাবেই অত্যাচার আর সহ্য করব না।”
- বিজেপি প্রতিনিধি দলের অভিযোগ, একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। তিনজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। গ্রামবাসীরা যাঁদের নামে অভিযোগ করল পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করছে না। উল্টে সাধারণ গ্রামবাসী সহ বিজেপি কর্মীদের উপর রাতের অন্ধকারে পুলিশ অত্যাচার করছে।
- তবে নাছোড় পুলিশও। ১৪৪ ধারার জারি থাকার জেরে কোনও ভাবেই তাঁরা বিজেপি নেতা কর্মীদের ঢুকতে দেবেন না এলাকায়। এই নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটিও শুরু হয়।
- পুলিশের বক্তব্য ১৪৪ ধারা জারি থানার কারণে এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না বিজেপি কর্মীরা। অপরদিকে, বিজেপি নেতাদের দাবি, তাঁরা চারজন রয়েছেন। প্রয়োজনে পুলিশও তাঁদের সঙ্গে যেতে পারে। কোথাও আইন ভাঙা হবে না বলেও আশ্বাস দেন তাঁরা।
- তবে মিনাখাঁর এসডিপিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন এলাকায়। তাঁরাই বাধা দেন অর্চনা সহ বিজেপি কর্মীদের।
- শনিবার ধামাখালি থেকে কিছুটা দূরে রামপুর নস্কর পাড়া এলাকায় আটকে দেওয়া হয় বিজেপি নেতা কর্মীদের। বিজেপি নেত্রী অর্চনা মজুমদারের নেতৃত্বে চার পাঁচজন নেতা কর্মী এসেছিলেন সন্দেশখালি থানায় যাওয়ার জন্য। তাঁদের অভিযোগ, ভুজঙ্গ দাস নামে বিজেপি কর্মীর বাড়ি ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।