বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থা! হাওড়া থেকে ধৃত এজেন্ট
পুলিশের দাবি, হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে ওই এজেন্টের কাছ থেকে সংস্থার কাজকর্ম এবং টাকা তোলার পদ্ধতি সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য মিলেছে। তদন্তকারীদের দাবি, জেলা জুড়ে সংস্থার সঙ্গে যুক্ত প্রায় তিন জন ডিরেক্টর ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। জেরায় আসলাম নিজেই জানিয়েছেন, সংস্থার হয়ে অনলাইন লেনদেনের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা তুলেছিলেন। পাশাপাশি নগদ টাকাও সংস্থার কাছে জমা করেছিলেন। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, শুধুমাত্র একটি এজেন্টের মাধ্যমে নয়, কমিশন-ভিত্তিক ‘চেন’ পদ্ধতিতে জেলা জুড়ে এজেন্ট নিয়োগ করে টাকা সংগ্রহ করা হতো। নতুন গ্রাহক জোগাড়ের বিনিময়ে কমিশন দেওয়া হতো।