মুম্বই হামলার শিকড় তাদের জমিতে, স্বীকার পাকিস্তানের
এই গোটা বিষয়টিতে ‘হাস্যকর’ এবং চোখে ধুলো দেওয়ার চেষ্টা বলে ব্যাখ্যা করছেন গোয়েন্দা অফিসাররা। এক সিনিয়র অফিসারের কথায়, ‘হাফিজ়, মাসুদ, লাকভি — এরা পাকিস্তানের অ্যাসেট। আইএসআই ওদের প্রোটেকশন দেয়। একদিকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কা, অন্যদিকে এদের রক্ষা করার বাধ্যবাধকতা — এই দুইয়ের জাঁতাকলে পড়ে এখন হাঁসফাঁস করছে পাকিস্তান। তাই সরকারি নথিতে এই স্বীকারোক্তি।’ জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের প্রাক্তন ডিজি এসপি বৈদ্যর কথায়, ‘মুম্বই হামলার সব তথ্যপ্রমাণ পাকিস্তানকে দেওয়া রয়েছে। কোন জঙ্গি ওদের দেশে কোথায় লুকিয়ে, একেবারে নিখুঁত ভাবে সব জানানো হয়েছে। এখন এফএটিএফ-এর প্লেনারির আগে ওরা চোখে ধুলো দিতে এ সব তালিকা তৈরি করছে।’ বিশ্লেষকদের ব্যাখ্যা, অত্যন্ত হিসেব করে মাসুদের নাম রাখা হয়েছে লিস্টে। যাতে এফএটিএফ সরাসরি নাম ধরে প্রশ্ন করলেই কুমির ছানার মতো মাসুদকে দেখিয়ে দেওয়া যায়। এবং সন্ত্রাস দমনে ‘আন্তরিক তৎপরতা’র প্রমাণ দেওয়া যায়।