সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে বাংলার জোর! কলকাতায় ইকিউএসটি বিভাগের উদ্বোধন - 24 Ghanta Bangla News
Home

সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তিতে বাংলার জোর! কলকাতায় ইকিউএসটি বিভাগের উদ্বোধন

Spread the love

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে কোয়ান্টাম ও সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductor)প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত খুলতে চলেছে। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে কলকাতার সিএসআইআর-সিজিসিআরআই-তে এমার্জিং কোয়ান্টাম অ্যান্ড সেমিকন্ডাক্টর টেকনোলজিস বা ইকিউএসটি বিভাগের উদ্বোধন হয়েছে।…

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে কোয়ান্টাম ও সেমিকন্ডাক্টর (Semiconductor)প্রযুক্তির নতুন দিগন্ত খুলতে চলেছে। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে কলকাতার সিএসআইআর-সিজিসিআরআই-তে এমার্জিং কোয়ান্টাম অ্যান্ড সেমিকন্ডাক্টর টেকনোলজিস বা ইকিউএসটি বিভাগের উদ্বোধন হয়েছে। এই পদক্ষেপকে অনেকেই বাংলার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জগতে এক যুগান্তকারী মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলার বিজ্ঞানীরা কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা ও উপকরণ বিজ্ঞানে গবেষণা করে আসছেন( Semiconductor)। এবার সেই ঐতিহ্যকে কাজে লাগিয়ে রাজ্য একটা স্থায়ী পরিকাঠামো গড়ে তুলছে।ইকিউএসটি বিভাগ মূলত চারটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করবে। সুপারকন্ডাক্টিং কোয়ান্টাম প্ল্যাটফর্ম, দ্বিমাত্রিক কোয়ান্টাম ম্যাটেরিয়ালস, সিঙ্গেল-ইলেকট্রন ট্রানজিস্টর এবং কোয়ান্টাম ডিভাইসের জন্য অ্যাডভান্সড ফোটোনিক্স।

আরও দেখুনঃ

এগুলো শুধু গবেষণাগারের তত্ত্ব নয়। এগুলো দিয়েই ভবিষ্যতের কম্পিউটার, সেন্সর এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হবে। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং একদিন সাধারণ কম্পিউটারের সীমা ছাড়িয়ে যাবে। সেই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতেই এই বিভাগ কাজ করবে।রাজ্য সরকার শুধু গবেষণাগার খুলেই থেমে থাকেনি। ইকিউএসটিকে ন্যাশনাল কোয়ান্টাম মিশনের থিম্যাটিক হাবগুলোর সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

Advertisements


   


   

এর ফলে দেশের অন্যান্য শীর্ষ গবেষণা কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে বাংলার বিজ্ঞানীরা সরাসরি সহযোগিতা করতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যেও নতুন ধরনের প্রোগ্রাম চালু হবে। (Semiconductor)গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ত্রিমুখী কাজ একসঙ্গে এগোবে। ছাত্র-ছাত্রীরা শুধু বই পড়ে শিখবে না। তারা ল্যাবে হাতে-কলমে কাজ করার সুযোগ পাবে। শিল্পের মানুষও গবেষণার ফল দ্রুত বাজারে নিয়ে যেতে পারবে।

অর্থায়নের দিকটাও ভাবা হয়েছে। সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ট্যালেন্ট অ্যাট্র্যাকশন ফান্ড, ইনকিউবেশন ফান্ড এবং ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড গঠনের কথা বলা হয়েছে। গভীর প্রযুক্তি বা ডিপ-টেক স্টার্টআপগুলো যাতে সহজে অর্থ পায়, সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অনেক তরুণ গবেষক আইডিয়া নিয়ে ঘুরে বেড়ান কিন্তু অর্থের অভাবে এগোতে পারেন না। এবার সেই বাধা অনেকটা কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলার বৈজ্ঞানিক পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করে কোয়ান্টাম ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণ করাই মূল লক্ষ্য। (Semiconductor)সেমিকন্ডাক্টর ছাড়া আজকের কোনো ইলেকট্রনিক্স চলে না। কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এলে সেই সেমিকন্ডাক্টর শিল্পও নতুন মাত্রা পাবে। বাংলা যদি এই ক্ষেত্রে এগিয়ে যায় তাহলে শুধু গবেষণা নয়, কর্মসংস্থানও বাড়বে। নতুন কোম্পানি গড়ে উঠবে। তরুণরা বিদেশে না গিয়ে দেশেই ভালো কাজের সুযোগ পাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *