Madan Mitra: 'বিরোধী দলনেতা হওয়ার জন্য সই জাল করেছে, এত হ্যাংলা? শোভনদেবের জন্য তৃণমূল ভেঙেছে!' আক্রমণ মদনের | Madan Mitra attacks Sovandeb Chattopadhyay in Opposition Leader Row - 24 Ghanta Bangla News
Home

Madan Mitra: ‘বিরোধী দলনেতা হওয়ার জন্য সই জাল করেছে, এত হ্যাংলা? শোভনদেবের জন্য তৃণমূল ভেঙেছে!’ আক্রমণ মদনের | Madan Mitra attacks Sovandeb Chattopadhyay in Opposition Leader Row

Spread the love

কলকাতা: শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chattopadhyay)কারণেই তৃণমূল ভেঙেছে। বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)। বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রসঙ্গ তুলে বর্ষীয়ান বিধায়ককে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছেন কামারহাটির বিধায়ক। মদন মিত্রের অভিযোগ, বিরোধী দলনেতা হওয়ার জন্য সই জাল করেছেন শোভনদেব। তাঁকে ক্ষমতালোভী বলেও কটাক্ষ করেন মদন।

কী বললেন মদন মিত্র?

শোভনদেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মদন মিত্রের প্রশ্ন কেন সহ্য করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি নমস্কার জানাব। শ্রদ্ধা জানাব। শুধু চোখের জল ফেলে এটুকুই বলব কেন সহ্য করলেন আপনি? তোমারে মারিবে য়ে, গোকূলে বাড়িছে সে। কেন সহ্য করলেন? কী হল বলুন তো তৃণমূলটার?” শোভনদেবের নাম না করে কটাক্ষের সুরে বলেন, “আরে আমার বাড়ির পাশেই থাকেন। একজন বয়স্ক ভদ্রলোক। ৭২ সালে বার্লিন গিয়েছিলেন। তিনি বিরোধী দলনেতা হবেন বলে, সব বৃদ্ধ লোকগুলিকে দাঁড় করিয়ে, সব সই জাল করে। এত হ্যাংলা?”

এরপরই শোভনদেবের কাঁধেই সরাসরি দল ভাঙার অভিযোগ তুলে মদন বলেন, “তদন্ত কমিশন বসুক। সব বেরিয়ে আসবে। আমি বলব আপনি তো তৃণমূলে বারবার সুযোগ পেয়েছেন। শুধুমাত্র মাতৃমন্ত্র ও চন্ডীপাঠ পড়ে নমিনেশন পেয়েছেন, এরকম পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। তাঁর নাম শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। উনি আমাকে বলেছেন সার্কাসের ক্লাউন। আমি বলেছি আপনি তো বড় ক্লাউন। আপনার থেকেই তো শিখেছি। আজ আমাদের পার্টি ভাঙত না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে পোষ্য হিসেবে বিরোধী দলনেতা করার জন্য মিথ্যে বললেন যে সবাই সই করে দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কারাগরে বন্দী। বন্দী করেছেন শাহাজাহান।”

কী এই সই জাল-কাণ্ড?

ভোটের ফল ঘোষণার পর বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করে একটি রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। সেখানে তৃণমূলের ৭০ জন বিধায়কের সই ছিল। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন বিধায়কের সইতে গরমিলের অভিযোগ ওঠে। তাঁদের পুরনো স্বাক্ষরের সঙ্গে এই স্বাক্ষর মেলেনি বলেই অভিযোগ। এখান থেকেই জটিলতার সূত্রপাত। ঋতব্রত, আখরুজ্জামান-সহ একাধিক নেতা কালীঘাটের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেন। এই আবহে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, সই জালের বিষয়ে বিধানসভায় অভিযোগ করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপান সাহা। তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই ঋতব্রত ও সন্দীপনকে বহিষ্কার করা হয়। ঘটনাক্রমে তৃণমূল দুই শিবিরে ভাগ হয়ে যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *