BRICS Summit: ভারত মণ্ডপমে রাষ্ট্রপ্রধানদের স্বাগত মোদীর, ব্যাকড্রপে তামিলনাডুর বিখ্যাত রামনাথস্বামী মন্দিরের ছবি | Rameswaram’s iconic Ramanathaswamy Temple backdrop steals spotlight as PM Narendra Modi welcomes BRICS leaders
বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতাদের স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীImage Credit: ANI
নয়াদিল্লি: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে শনিবার নয়াদিল্লি এসেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাঁকে স্বাগত জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনের মূল মঞ্চ ভারত মণ্ডপমে জিনপিংকে স্বাগত জানানোর সময় পটভূমিতে ছিল তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমের ঐতিহাসিক রামনাথস্বামী মন্দিরের ছবি। মন্দিরটির গুরুত্বও জিনপিংকে ব্যাখ্যা করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ বছর ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত। ভারত মণ্ডপমে ব্রাজিলের বিদেশমন্ত্রী মাউরো ভিয়েরাকেও স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী মোদী। এদিন সম্মেলনস্থলে ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলি, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, আবুধাবির প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোকেও স্বাগত জানান মোদী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির রাষ্ট্রনেতারা সম্মেলনের ‘ইনক্লুসিভ গ্লোবাল গভর্ন্যান্স অ্যান্ড স্ট্রেংথেনিং মাল্টিল্যাটারালিজম’ বা ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক শাসন ও বহুপাক্ষিকতাকে শক্তিশালী করা’ বিষয়ক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেবেন। এছাড়াও ‘ভারত ইনোভেটস’ প্রদর্শনী ঘুরে দেখবেন বিশ্বনেতারা।
ভারতের সভাপতিত্বে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন। ভারতের সভাপতিত্বের মূল ভাবনা হল, ‘বিল্ডিং ফর রেজিলিয়েন্স, ইনোভেশন, কোঅপারেশন অ্যান্ড সাসটেনেবিলিটি’। উন্নয়ন, স্থায়িত্ব এবং উদ্ভাবনকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ গুরুত্ব।
বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলির মধ্যে সমন্বয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে উঠেছে ব্রিকস। বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে গ্লোবাল সাউথ বা উন্নয়নশীল বিশ্বের স্বার্থ তুলে ধরার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে এই গোষ্ঠীর। উন্নয়ন, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, বাণিজ্য এবং বিভিন্ন দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ—ব্রিকসের আলোচনার অন্যতম বিষয়।
২০২৬ সালে ব্রিকসের সভাপতিত্ব করে ভারতের লক্ষ্য হল, সম্প্রসারিত ব্রিকসকে আরও কার্যকর করে সদস্য দেশগুলির মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো এবং বাস্তব ফলাফল আনা। একইসঙ্গে বিভিন্ন দেশের মধ্যে ঐকমত্য তৈরি করে ব্রিকসের বর্তমান ব্যবস্থাগুলিকে আরও শক্তিশালী করাও ভারতের অন্যতম লক্ষ্য।