ব্যবসায় বাঁধা খালি কন্টেনার সমস্যা দূর করতে নতুন ইয়ার্ড তৈরী আদানির - 24 Ghanta Bangla News
Home

ব্যবসায় বাঁধা খালি কন্টেনার সমস্যা দূর করতে নতুন ইয়ার্ড তৈরী আদানির

Spread the love

মুম্বই: আদানি পোর্টস এখন ভারতের বাণিজ্যের এক নীরব কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ (container yard)সমস্যা সমাধানের দিকে নজর দিয়েছে। মুন্দ্রা বন্দর, যা দেশের কন্টেইনার বাণিজ্যের প্রায় ৩৫ শতাংশ…

মুম্বই: আদানি পোর্টস এখন ভারতের বাণিজ্যের এক নীরব কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ (container yard)সমস্যা সমাধানের দিকে নজর দিয়েছে। মুন্দ্রা বন্দর, যা দেশের কন্টেইনার বাণিজ্যের প্রায় ৩৫ শতাংশ সামলালে, প্রতি বছর প্রায় ১৬ লাখ খালি কন্টেইনার প্রক্রিয়া করে। এই বিপুল সংখ্যক খালি কন্টেইনারই হয়ে উঠেছে লজিস্টিকসের এক বড় বাধা।

আদানি পোর্টস এখন সেই বাধা দূর করতে বিশেষভাবে নিবেদিত একটি খালি কন্টেইনার ইয়ার্ড গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর ফলে পুনঃস্থাপন, কাস্টমস পরীক্ষা, মেরামত এবং মুক্তির প্রক্রিয়া অনেক দ্রুত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্যে মুন্দ্রা বন্দরের ভূমিকা অপরিসীম। দেশের মোট কন্টেইনার বাণিজ্যের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি এখান দিয়ে যায়।

আরও দেখুনঃ গ্লোবাল সাউথ থেকে কৃত্রিম মেধা! ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সাউথ ব্লকের নজরে ৭ অ্যাজেন্ডা

কিন্তু রফতানি-আমদানির এই ব্যস্ত চলাচলের মাঝে খালি কন্টেইনারগুলো (container yard)প্রায়ই জমে থাকে। এগুলো দ্রুত সঠিক জায়গায় পৌঁছাতে না পারলে জাহাজের যাত্রা বিলম্বিত হয়, রফতানিকারকরা অপেক্ষা করেন এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। আদানি পোর্টসের এই নতুন উদ্যোগ ঠিক সেই জায়গায় হাত দিচ্ছে।খালি কন্টেইনার ইয়ার্ডে আলাদা করে স্থান, সুবিধা এবং প্রক্রিয়া থাকবে।

Advertisements


   


   

এতে কন্টেইনারগুলো (container yard)দ্রুত পরীক্ষা করা যাবে, প্রয়োজন হলে মেরামত করা যাবে এবং কাস্টমস ছাড়পত্রও সহজে মিলবে। ফলে যে সময় এতদিন অপেক্ষায় নষ্ট হত, সেটা অনেক কমে আসবে। লজিস্টিকস খরচ কমলে রফতানিকারকদের জন্য পণ্য বিদেশে পাঠানো সহজ হবে। আমদানিকারকরাও সুবিধা পাবেন। সামগ্রিকভাবে ভারতের বাণিজ্য প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা বাড়বে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খালি কন্টেইনার ব্যবস্থাপনা অনেক সময়ই উপেক্ষিত থাকে।

আরও দেখুনঃ মহাকাশ গবেষণায় সাফল্য! ১০০ মিলিয়ন তহবিল সংগ্রহ করে রেকর্ড গড়ল স্পেস স্টার্টআপ পিক্সেল

অথচ এটি বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খলের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি খালি কন্টেইনার সঠিক সময়ে সঠিক বন্দরে না পৌঁছালে পুরো চেইন বিঘ্নিত হয়। মুন্দ্রায় যেহেতু এত বড় পরিমাণ খালি কন্টেইনার প্রক্রিয়া হয়, সেখানে একটি নিবেদিত সুবিধা গড়ে তোলা সত্যিই সময়োপযোগী পদক্ষেপ। আদানি পোর্টস এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শুধু নিজেদের কার্যক্ষমতা বাড়াচ্ছে না, দেশের বাণিজ্যিক পরিকাঠামোকেও শক্তিশালী করছে।এই উদ্যোগের প্রভাব শুধু মুন্দ্রায় সীমাবদ্ধ থাকবে না।

ভারতের অন্যান্য বন্দরগুলোও এর থেকে শিক্ষা নিতে পারে। (container yard)খালি কন্টেইনারের দ্রুত চলাচল নিশ্চিত হলে জাহাজগুলো কম সময় ব্যয় করবে, জ্বালানি খরচ কমবে এবং পরিবেশের ওপর চাপও কিছুটা কমবে। রফতানিমুখী শিল্পগুলো, বিশেষ করে গার্মেন্টস, ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য এবং কৃষিপণ্য রফতানিকারকরা উপকৃত হবেন। কম লজিস্টিকস খরচ মানে আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় পণ্যের দাম আরও প্রতিযোগিতামূলক হওয়া।

আদানি পোর্টসের (container yard)এই পরিকল্পনা ভারতের লজিস্টিকস সংস্কারের বৃহত্তর চিত্রের সঙ্গেও মিলে যায়। সরকার নানা উদ্যোগের মাধ্যমে লজিস্টিকস খরচ কমানোর চেষ্টা করছে। বেসরকারি খাত যদি এভাবে সক্রিয় হয়, তাহলে লক্ষ্য অর্জন আরও সহজ হবে। মুন্দ্রা ইতিমধ্যেই দেশের অন্যতম ব্যস্ত ও আধুনিক বন্দর। এখন খালি কন্টেইনার ব্যবস্থাপনায় আরও দক্ষতা এলে এর সুনাম আরও বাড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *