Suvendu Adhikari: ‘নিশ্চিন্তে থাকুন, কোনও অন্যায় হবে না, মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ হবে’, আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর | CM Suvendu Adhikari Promises transparency on Teachers Recruitment in West Bengal
কলকাতা: তৃণমূল সরকারের আমলে রাজ্যে এসএসসি-র নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। চাকরির দাবিতে, স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে, দিনের পর দিনে রাজপথে থেকেছেন হাজার-হাজার চাকরিপ্রার্থী। তবে, বাংলায় নতুন সরকারের আমলে স্বচ্ছ নিয়োগ হবে। আর নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও পরীক্ষাই একমাত্র বিচার্য বিষয় হবে। শিক্ষক দিবসে এভাবেই বাংলায় দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগের আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)।
‘আদালতের নির্দেশ মেনে নিয়োগ হবে’
শিক্ষক দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ভুল থেকেই মানুষ শিক্ষা নেয়।” এরপরই স্বচ্ছ নিয়োগের বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, “রামকৃষ্ণ মিশনে বিদ্যালয়গুলির, যাঁরা পরিচালনা করেন, সেই মহারাজরা খারাপ কিছু করতে পারেন বিশ্বাস করেন? যিনি সব ত্যাগ করে এসেছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁদের হাতে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টা ছেড়ে দিয়েছেন। শুধু তিনজন রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ নন, এসএসসিতে আইআইএম থেকেও একজনকে সদস্য হিসেবে রেখেছি। আমরা শিক্ষক নিয়োগ করে দেব নিশ্চিন্তে থাকুন। সুপ্রিম কোর্টর নির্দেশ, হাইকোর্টের নির্দেশ মাথায় রেখে করে দেব। কোনও অন্যায় হবে না। আমরা ইতিমধ্যেই বিধানসভায় ওবিসি বিল পরিবর্তন করে দিয়েছি। অন্যায়ভাবে যাদের ওবিসি করা হয়েছিল, তাঁদের বাদ দিয়ে দিয়েছি। ৮ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট খোলার পরে আমরা কোর্ট থেকে এক্সিট নিয়ে নিয়েছি। এসএসসি তৈরি হয়ে গিয়েছে। আমি বলেছি, মোবাইল ফোনে মেসেজ দিয়ে হয় না। তালিকা প্রকাশ করতে হবে। নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও পরীক্ষাই একমাত্র বিচার্য বিষয় হবে। অন্য কিছু দরকার নেই।”
আর কী বললেন শুভেন্দু?
মৌখিকে কেন ১৫ নম্বর বরাদ্দ? প্রশ্ন তুলে তৃণমূলকে আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এত নম্বর মৌখিকে রেখেছেন কেন? নিজের লোক ঢোকাবেন বলে? আমি বলেছি ৫ নম্বরের বেশি থাকা উচিত নয়। পরামর্শ দিয়েছি এসএসসিকে। সংরক্ষণ বিধি মেনেই শিক্ষক নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছি।”
শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়োগ নিয়োগ নিয়ে শুভেন্দু আরও বলেন,”শিক্ষক-শিক্ষিকারা যাতে ভালো করে পড়াতে পারেন, সারাদিন যাতে মিড-ডে মিলের হিসেব না করতে হয়, তার জন্য শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করতে হবে। ল্যাবরেটরিতে লোক নিয়োগ করতে হবে, ঘণ্টা বাজানোর লোক নিতে হবে। মিত্র ইনস্টিটিউশনে সাপের কামড়ে এসএসকেএম যেতে হয়। কেন জানেন? তিন বছর কম্পোজিট গ্রান্ট পাননি। এটা দিয়েই কার্বলিক অ্যাসিড কেনা হয়। টাকার তো কোনও অভাব ছিল না। খেলা-মেলা, দুর্গাপুজোয় টাকা দেওয়া কোনও কিছুর তো অভাব ছিল না। এগুলো সরকারকে ভাবতে হবে।”