কর্পোরেটের চাকরি ছেড়ে DPL-এ, বল হাতে নজর কেড়ে IPL-এর পথে স্পিডস্টার
তবে ভাগ্য হয়তো তাঁর জন্য অন্য কোনও চিত্রনাট্য লিখে রেখেছিল। টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, ছোটবেলায় ক্রিকেট নয়, অংশুমান ছিলেন ন্যাশনাল লেভেলের রোলার স্কেটার। পরবর্তীতে কলেজে উঠে বন্ধুদের সঙ্গে টেনিস বলে খেলতে গিয়েই পেস বোলিংয়ের নেশা পেয়ে বসে তাঁকে। ২০১৯ সালে ইউনিভার্সিটিতে তাঁর শারীরিক দক্ষতা, বোলিং অ্যাকশন ও গতি চোখে পড়ে কোচ হরিশ ডাগরের। কোচের পরামর্শে সে ক্রিকেট খেলা শুরু করেন। সেখান থেকে অনূর্ধ্ব-২৩ ট্রায়ালে অংশ নেয়। কিন্তু সেখানে দু’বার ব্যর্থ হওয়ার পর যখন অংশুমান ক্রিকেট ছেড়ে কর্পোরেট জীবনে স্থায়ী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলেন, তখনই কোচ ডাগর তাঁকে আরও একটি বছর সময় দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
চাকরির ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে দিনরাত এক করে অনুশীলন চালিয়ে যেতেন অংশুমান। দিনে অফিস, রাতে নেটে কড়া অনুশীলন আর জিম সেশন—এই ছিল তাঁর রুটিন। কোচ ডাগর শুধু তাঁর স্কিল নয়, মানসিকভাবেও তাঁকে গড়ে তোলেন যাতে দ্রুতগতির বোলিংয়ের শারীরিক ধকল তাঁর শরীর সহ্য করতে পারে। নিয়মিত ১৪০ কিলোমিটার গতি স্পর্শ করার পাশাপাশি লেগ কাটার ও অফ কাটারের মতো বৈচিত্র্য যুক্ত হয় তাঁর বোলিং ঝুলিতে।