জামশেদপুর অতীত! দক্ষিণের ক্লাবে এবার লালরিয়াতপুইয়া
সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: এবারের ট্রান্সফার উইন্ডোকে (ISL Transfer) কাজে লাগিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা মাফিক ফুটবলার চূড়ান্ত করেছে ক্লাবগুলি। এমনকি এখনও সক্রিয় রয়েছে ক্লাবগুলি। দেশের প্রথম সারির…
সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: এবারের ট্রান্সফার উইন্ডোকে (ISL Transfer) কাজে লাগিয়ে নিজেদের পরিকল্পনা মাফিক ফুটবলার চূড়ান্ত করেছে ক্লাবগুলি। এমনকি এখনও সক্রিয় রয়েছে ক্লাবগুলি। দেশের প্রথম সারির ফুটবল ক্লাবগুলির মধ্যে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের পাশাপাশি নর্থইস্ট ইউনাইটেড হোক কিংবা মুম্বাই সিটি এফসি। পূর্ব পরিকল্পনা অনুসরণ করেই পর গোছানো কাজ শুরু করেছিল প্রত্যেকে। এক্ষেত্রে বাকিদের তুলনায় বেশ কিছুটা দেরিতে খেলোয়াড় সই করানোর কথা ঘোষণা করতে থাকে চেন্নাইয়িন এফসি। তবে দল বদলের বাজারে প্রথম থেকেই যথেষ্ট সক্রিয় ছিল দক্ষিণের এই ক্লাবটি।
আরও পড়ুন: যুবভারতীর কলঙ্ক মুছতে ফের শহরে মেসি-ম্যাজিক? টাকা ফেরতের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর
শেষ কয়েক মাসে ব্রাইসন ফার্নান্দেজ থেকে শুরু করে দ্বীপেন্দুর মত ফুটবলারদের কথা জানিয়ে দিয়েছিল দুইবারের আইএসএল জয়ীরা। কিন্তু সেখানেই থেমে থাকেনি ক্লাবটি। দিন কয়েক আগেই নিজেদের দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে লোন চুক্তির মধ্য দিয়ে অন্যত্র পাঠিয়েছে ম্যানেজমেন্ট। এসবের মাঝেই এবার মিজোরামের এক দাপুটে মিডফিল্ডারের যোগদানের কথা স্পষ্ট করে দিল চেন্নাইয়িন। তিনি লালরিয়াতপুইয়া চংথু। পূর্বে দেশের ইস্পাত নগরীর ক্লাব তথা জামশেদপুর এফসির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এই মিডফিল্ডার। দলের হয়ে খেলেছিলেন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ।
আরও পড়ুন: চেন্নাইয়িন থেকে এবার রাজস্থানে যোগ দিলেন জাহাঙ্গীর
কিন্তু গত মাসেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে দেশের এই প্রথম সারির ফুটবল ক্লাব। যেটা এক কথায় বিরাট বড় ধাক্কা ছিল দেশের ফুটবল অনুরাগীদের কাছে। যারফলে ফুটবলারদের অন্যত্র যোগদানের বিষয়টি উঠে আসতে শুরু করেছিল ব্যাপকভাবে। শেষ পর্যন্ত তাকে দলে টেনে নিল চেন্নাইয়িন শিবির। বলাবাহুল্য, নিজের প্রাক্তন ক্লাবের হয়ে আরএফডিএল থেকে শুরু করে সুপার কাপ ও ইন্ডিয়ান সুপার লিগের মত টুর্নামেন্টে ও খেলতে দেখা গিয়েছিল এই তরুণ মিজো মিডফিল্ডারকে। সব ঠিক মাথায় রেখেই তাকে দলে টেনেছে ম্যানেজমেন্ট।