চোখ-মুখের জ্যামিতিতেই ছিল ভবিষ্যতের ইঙ্গিত
‘কী করে এই চাপ নাও লিও? বছর পর বছর টিমকে জেতানোর চাপ? কী ভাবে?’
মাইক টেনে নিয়ে মেসির জবাব এখনও কানে ভাসছে, ‘ছোট থেকে আমি হারতে শিখেছি। বহুবার হারতে হারতে তবে জিততে পারা যায়। তুমি জীবনে বেশিবার হারবে, কমবারই জিতবে। কিন্তু হারলে থেমে গেলে চলবে না, চেষ্টা করে যেতে হবে।’
আথার্র অ্যাশ স্টেডিয়ামে অনামী প্রতিদ্বন্দ্বীর সামনে চার ঘণ্টা লড়ে নিচ্ছিলেন ৩৯ বছরের জোকার। কখনও মেডিকেল ব্রেক নিয়ে, কখনও কোর্টেই বমি করে। কিন্তু কোর্ট ছাড়েননি। মেসি যেমন ফাইনালে ০–১ হয়ে যাওয়ার পরেও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।