চলন্ত বাসে ফের গণধর্ষণ, ২৭ দিন বাদে মুখ খুলল পুলিশ
ওই অবস্থাতেও একটি অটোরিকশা নিয়ে কাশ্মীরি গেট পুলিশের কাছে গিয়ে মেয়েটি অভিযোগ জানায় বলে খবর। ‘বিশ্বনাথ ট্রাভেলস’ নামে একটি বেসরকারি ভ্রমণ সংস্থার স্লিপার বাসটিকে ট্র্যাক ও বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা। পরে সন্দীপ এবং ৪০ ছুঁইছুঁই কুলদীপকে গ্রেপ্তার করা হয়। দু’জনেই বছর দুয়েক ধরে ওই সংস্থায় কাজ করছিল। সূত্রের খবর, সে দিন গ্রেটার নয়ডার সুরজপুরের একটি ওয়ার্কশপ থেকে বাসের সার্ভিসিং করিয়ে ফেরার পথে ওই কাণ্ড করে দুই অভিযুক্ত।
পুলিশ জানায়, মেয়েটির মেডিক্যাল পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে। বাসের ভিতর থেকে তার চুলও পেয়েছেন তদন্তকারী। যে পথে বাস নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ, সেখানে একাধিক ব্যারিকেড, পুলিশ পোস্ট রয়েছে। তা সত্ত্বেও কী ভাবে অতটা রাস্তায় দু’জন মিলে গণধর্ষণ চালাল, সেটা ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। এই সূত্রেই গুরুত্ব পাচ্ছে বাসের জানলায় টাঙানো পর্দা। বৃষ্টির মধ্যে যার আড়ালে কুকর্ম চালাতে অভিযুক্তদের সুবিধে হয়েছে বলে অনুমান।