কিংবদন্তি ভাইচুংয়ের সঙ্গে একআসনে, ‘অনেক পথ চলা বাকি’, মাটিতে পা এডমুন্ডের
অনুপ্রেরণা ডিকা ও নেইমার
নিজের ফুটবল আদর্শের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এডমুন্ড জানান, ভারতীয় ফুটবলে তাঁর প্রধান অনুপ্রেরণা মিজ়োরামের ফুটবল আইকন তথা ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন অধিনায়ক লালরিন্ডিকা রালতে (ডিকা)। আর আন্তর্জাতিক ময়দানে তিনি ব্রাজ়িলিয়ান তারকা নেইমারের খেলা দেখে নিজেকে তৈরি করেন। সব মিলিয়ে লালরিন্ডিকা লাল হলুদের নতুন তারকা, এ বার তাঁর লক্ষ্য ধারাবাহিকতা।
সামনেই ব্রাজ়িল ম্যাচ। হবে এডমুন্ডের ইতিহাস গড়া যুবভারতীতে। খেলার ইচ্ছা আছে? জবাবে এডমুন্ড বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা তো আসলে আমার হাতে নেই। তবে একজন ভারতীয় খেলোয়াড় হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা সবার জন্যই একটি বড় স্বপ্ন। তাই আমাকে যদি জাতীয় দলে নির্বাচিত করা হয় এবং ব্রাজ়িলের মতো দুর্দান্ত একটি দেশের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ পাই, তাহলে আমি সত্যি ভীষণ খুশি হব। আশা করছি এই পারফরম্যান্স হয়তো সাহায্য করতে পারে, তবে দেখা যাক ভবিষ্যতে কী হয়।’
এ বার ইস্টবেঙ্গলে এখনও পর্যন্ত কোনও বিদেশি স্ট্রাইকার নেই। সেখানে মোহনবাগানে ছিলেন জেমি ম্যাকলারেনের মতো বিশ্বকাপার। সেটা নিয়েও বাজিমাত করেছেন হাবাস। আর এই ম্যাচে তাঁর তাস ছিল এডমুন্ড। জেসিন টিকের জায়গায় প্রথম একাদশে এই ম্যাচে তিনি খেলান এডমুন্ডকে। হাবাস সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, ‘ওকে আমি ইন্টার কাশী থেকে চিনি। ও কী ভাবে খেলে, কোথায় ভালো খেলে আমি জানি। দেশের এক নম্বর স্ট্রাইকার হওয়ার সব গুণ ওর আছে।’