মানবতাবিরোধী অপরাধে বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড - 24 Ghanta Bangla News
Home

মানবতাবিরোধী অপরাধে বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

Spread the love

FAQ

১. বাশার আল-আসাদকে কেন মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে?

সিরিয়ার আদালত তাঁকে পূর্বপরিকল্পিত খুন, নির্যাতন, বেআইনি ভাবে আটক এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

২. বাশার আল-আসাদ কি আদালতে উপস্থিত ছিলেন?

না। রায়টি তাঁর অনুপস্থিতিতে বা in absentia ঘোষণা করা হয়েছে।

৩. বাশার আল-আসাদ এখন কোথায়?

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাঁর সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তিনি রাশিয়ায় চলে যান এবং বর্তমানে সেখানে রয়েছেন।

৪. আসাদের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ ছিল?

তাঁর বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত খুন, নির্যাতন, বেআইনি আটক এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল। শিশুদের হত্যার অভিযোগও মামলার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

৫. সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদের শাসনের অবসান কবে হয়?

২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে বিদ্রোহীদের অভিযানে দামাস্কাসের পতনের পর প্রায় ২৪ বছরের আসাদ শাসনের অবসান ঘটে। তিনি দেশ ছেড়ে রাশিয়ায় চলে যান।

৬. আসাদের সঙ্গে আর কারা মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন?

আসাদের ছোট ভাই মাহের আল-আসাদ এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও প্রাক্তন নিরাপত্তা কর্মকর্তা আতেফ নাজিবও মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন।

৭. আতেফ নাজিবের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ ছিল?

২০১১ সালে দারা প্রদেশে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়ন ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে ছিল।

৮. আসাদের মৃত্যুদণ্ড কি এখনই কার্যকর হবে?

তাৎক্ষণিক ভাবে নয়। আসাদ বর্তমানে রাশিয়ায় থাকায় তাঁকে সিরিয়ার হাতে প্রত্যর্পণ ও গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত এই সাজা কার্যকর করা অত্যন্ত কঠিন।

৯. এই রায়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব কী?

২০২৪ সালে আসাদ সরকারের পতনের পর নতুন সিরীয় প্রশাসনের অধীনে তাঁর বিরুদ্ধে এটি প্রথম মৃত্যুদণ্ডের রায়। ফলে transitional justice বা অতীতের অপরাধের জবাবদিহির ক্ষেত্রে এটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১০. সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ কত দিন চলেছিল?

২০১১ সালে সরকারবিরোধী আন্দোলন থেকে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরু হয় এবং ২০২৪ সালে আসাদ সরকারের পতন পর্যন্ত প্রায় ১৪ বছর ধরে সংঘাত চলে। এতে বিপুল প্রাণহানি ও ব্যাপক বাস্তুচ্যুতি ঘটে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *