‘দামি’ ইউএস ভিসা, এক্সটেনশন অ্যাপ্লিকেশনে আলাদা চার্জ
এই সময়: ভিসা নিয়ে নিত্যনতুন কড়াকড়ির শেষ নেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের। আগে চাপানো ১ লক্ষ ডলারের ‘ম্যান্ডেট’ এখনও পুরোপুরি বাতিল হয়ে যায়নি। এ সবের মধ্যেই সোমবার মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিওরিটির তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়ে দেওয়া হলো, ক্ষেত্রবিশেষে ‘এইচ-১বি’ এবং ‘এল-১’ ভিসা এক্সটেনশন এর জন্য এমপ্লয়মেন্ট-রিলেটেড ইমিগ্রেশন কস্ট পরিকাঠামো ঢেলে সাজা হচ্ছে।
এতদিন ‘এইচ-১বি’ এবং ‘এল-১’ ভিসা এক্সটেনশন-এর আবেদনের সময় ‘৯-১১ রেসপন্স অ্যান্ড বায়োমেট্রিক এন্ট্রি-এগজ়িট ফি’ সবাইকে দিতে হতো না। যে ছাড়ের পরিধি এ বার অনেকটাই কমিয়ে আনা হলো। এতদিন কোনও ব্যক্তি একই নিয়োগকারী কোম্পানিতে চাকরি চালিয়ে যাওয়ার জন্য এই ভিসা ‘এক্সটেনশন’ অ্যাপ্লিকেশন করলে তাঁকে আলাদা করে চার্জ দিতে হতো না। চাকরি বদল করলেই একমাত্র তা দিতে হতো। পাশাপাশি অন্য সব চার্জ, যেমন ‘ফ্রড প্রিভেনশন অ্যান্ড ডিটেকশন ফি’ দিতে হবে আগের মতোই।
কিন্তু নতুন নিয়ম, যা ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হতে চলেছে, সেখানে মার্কিন মুলুকে কার্যালয় থাকা যে সব সংস্থায় অন্তত ৫০ জন কর্মী কাজ করেন এবং যাঁদের মধ্যে ৫০ শতাংশের বেশি কর্মী ‘এইচ-১বি’ এবং ‘এল-১এ’ বা ‘এল-১বি’ ভিসাধারী, সেই সংস্থা কর্তৃপক্ষকে প্রতি ‘এইচ-১বি’ রিনিউয়াল অ্যাপ্লিকেশন এর জন্য ৪,০০০ ডলার (প্রায় ৩.৯০ লক্ষ টাকা) এবং এল-১ পিটিশন এর জন্য ৪,৫০০ ডলার (প্রায় ৪.৯০ লক্ষ টাকা) জমা দিতে হবে বাধ্যতামূলক ভাবে।
গত বছর পর্যন্ত মার্কিন মুলুকে এই দুই গোত্রে ভিসাধারীর লায়ন্স শেয়ার ভারতীয়দের দখলেই থাকায়, মনে করা হচ্ছে, সেপ্টেম্বরের পর থেকে চাপ বাড়তে চলেছে তাঁদের জন্য।
তবে ডিএইচএস-এর তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইতিমধ্যেই যে সব আবেদন জমা পড়েছে, তাদের উপর এই নতুন নিয়ম কার্যকর হবে না।