অসমের বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী তহবিলে ১১ কোটি আদানির
গুয়াহাটি: অসমের বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শিল্পপতি গৌতম আদানি ও আদানি গ্রুপ (Gautam Adani)। অসম মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে ১১ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন গৌতম আদানি।…
গুয়াহাটি: অসমের বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শিল্পপতি গৌতম আদানি ও আদানি গ্রুপ (Gautam Adani)। অসম মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে ১১ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন গৌতম আদানি। এই অর্থ সাহায্য বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার পরিবারের পুনর্বাসনে কাজে লাগবে। শুধু অর্থ সহায়তাই নয়, মাঠপর্যায়েও ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছে আদানি ফাউন্ডেশন।অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এই অনুদানের কথা জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেছেন, গৌতম আদানির (Gautam Adani)এই অবদান রাজ্যের ত্রাণ প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করবে। নীরবে এই সাহায্য করার বিষয়টিও প্রশংসিত হয়েছে। আদানি ফাউন্ডেশন আদানি স্মার্ট মিটার ও গুয়াহাটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সহযোগিতায় উপর অসমে ত্রাণ বিতরণ শুরু করেছে।সিভাসাগর জেলার নাজিরা সাব-ডিভিশন এবং ধেমাজি জেলার সিলাপাথারে প্রায় ৮,০০০ পরিবারের কাছে ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
আরও দেখুনঃ Ram Mandir: অডিটে নেই দুর্নীতির প্রমান! রাম মন্দির ট্রাস্টে কোনও গন্ডগোল নেই সাফ করল কর্তৃপক্ষ
প্রতিটি কিটে রয়েছে প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী, ওষুধ এবং স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি সামগ্রী। নাজিরার ১৪টি গ্রামসহ দুর্গম এলাকায় এই সাহায্য পৌঁছাচ্ছে। বন্যার জলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো এখন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। এই ত্রাণ তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে সাহায্য করবে।অসমে এবারের বন্যা ব্যাপক ক্ষতি করেছে। কয়েকটি জেলায় বন্যার জল ঢুকে পড়েছে, ফসল নষ্ট হয়েছে, ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে কর্পোরেট হাউসগুলোর পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আদানি গ্রুপের (Gautam Adani)এই উদ্যোগ শুধু অর্থ সাহায্য নয়, মানবিক দায়িত্ববোধের উদাহরণ। মাঠপর্যায়ে ত্রাণ পৌঁছানোর মাধ্যমে তারা সরাসরি মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী শর্মা জানিয়েছেন, ত্রাণ তহবিলে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে সাহায্য আসছে। প্রতিটি টাকা স্বচ্ছভাবে ব্যবহার করা হবে।
আরও দেখুনঃ রণক্ষেত্র রাঁচি! বিধানসভা অভিযানে পড়ুয়াদের উপর জলকামান-লাঠিচার্জ পুলিশের
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আদানি গ্রুপের এই অবদান সেই প্রচেষ্টাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সংকটের সময় বড় ব্যবসায়িক গোষ্ঠীগুলো যখন সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ায়, তখন সমাজে আস্থার পরিবেশ তৈরি হয়। আদানি ফাউন্ডেশনের ত্রাণ কার্যক্রম দুর্গম গ্রামে পৌঁছে যাওয়ায় স্থানীয় মানুষ উপকৃত হচ্ছেন।