ইভিএম বিতর্কের আবহে শহরের সাত জায়গায় জারি ১৬৩ ধারা - 24 Ghanta Bangla News
Home

ইভিএম বিতর্কের আবহে শহরের সাত জায়গায় জারি ১৬৩ ধারা

Spread the love

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের হাই-ভোল্টেজ ভোটগ্রহণ পর্ব মিটলেও কাটছে না রাজনৈতিক স্নায়ুযুদ্ধ। ইভিএম কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস সরব হওয়ার পর এবার কলকাতার অন্তত সাতটি গুরুত্বপূর্ণ …

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের হাই-ভোল্টেজ ভোটগ্রহণ পর্ব মিটলেও কাটছে না রাজনৈতিক স্নায়ুযুদ্ধ। ইভিএম কারচুপির আশঙ্কা প্রকাশ করে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস সরব হওয়ার পর এবার কলকাতার অন্তত সাতটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তুলল প্রশাসন। ইভিএম সংরক্ষিত থাকা স্ট্রংরুমগুলির সুরক্ষায় কোনো ঝুঁকি নিতে নারাজ কলকাতা পুলিশ। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS), ২০২৪-এর ১৬৩ ধারা (যা আগে ১৪৪ ধারা নামে পরিচিত ছিল) জারি করে ওই এলাকাগুলিতে সব ধরণের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শহিদ ক্ষুদিরাম বসু রোড, জাজেস কোর্ট রোড, যাদবপুর, ডায়মন্ড হারবার রোড, লর্ড সিনহা হল, বেলতলা রোড এবং প্রমথেশ বড়ুয়া সরণিতে এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে বলে লালবাজার সূত্রে জানানো হয়েছে। (Kolkata strongroom security BNSS 163)

এই প্রশাসনিক তৎপরতার নেপথ্যে রয়েছে স্ট্রংরুম ঘিরে তৈরি হওয়া সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সংঘাত। গত বৃহস্পতিবারই ভবানীপুরের স্ট্রংরুমে গিয়ে প্রায় চার ঘণ্টা সময় কাটান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, ভারতীয় জনতা পার্টি এবং নির্বাচন কমিশন যোগসাজশ করে ইভিএমে কারচুপি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি গণনার সময় কোনো ধরণের অনিয়ম নজরে এলে ‘জীবন-মরণ’ লড়াইয়ের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। বিশেষ করে উত্তর কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ আরও তীব্র হয়েছে শাসক শিবিরের মধ্যে। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর এই তৎপরতাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, ভবানীপুরের স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারি রয়েছে এবং যেকোনো অনভিপ্রেত ঘটনা রুখতে মুখ্যমন্ত্রীকেও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

তৃণমূলের তোলা কারচুপির অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনেই স্ট্রংরুমগুলি সিল করা হয়েছে এবং এগুলি সম্পূর্ণ নিরাপদ। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, প্রার্থী এবং তাঁদের এজেন্টদের উপস্থিতিতেই বুধবার ভোট শেষে স্বচ্ছতার সঙ্গে স্ট্রংরুম বন্ধ করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, বৃহস্পতিবার ভোর সোয়া পাঁচটার মধ্যে সমস্ত সিল করার কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। ফল প্রকাশের আগে উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহে কলকাতার এই সাতটি এলাকায় জমায়েতে পুলিশের এই নিষেধাজ্ঞা আগামী ৪ মে গণনা পর্যন্ত অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *