Blood Donation Camp Scam: স্কুল ছুটির পর প্রথমে আলাপ জমাত পড়ুয়াদের সঙ্গে, তারপরই...কীভাবে দুর্গাপুরে রক্তের কারবার চালাত ধৃত তৃণমূল নেতার 'এজেন্ট' দেবপ্রিয়? | Durgapur Blood Racket: Ex Student Targeted Minor Schoolboys, Fake Aadhaar Used for Illegal Blood Donations - 24 Ghanta Bangla News
Home

Blood Donation Camp Scam: স্কুল ছুটির পর প্রথমে আলাপ জমাত পড়ুয়াদের সঙ্গে, তারপরই…কীভাবে দুর্গাপুরে রক্তের কারবার চালাত ধৃত তৃণমূল নেতার ‘এজেন্ট’ দেবপ্রিয়? | Durgapur Blood Racket: Ex Student Targeted Minor Schoolboys, Fake Aadhaar Used for Illegal Blood Donations

Spread the love

দুর্গাপুরে রক্তে ‘কালোবাজারি’Image Credit: Tv9 Bangla

দুর্গাপুর: দুর্গাপুরে (Durgapur) টাকার প্রলোভন দেখিয়ে স্কুলপড়ুয়া নাবালকদের রক্ত সংগ্হের অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। ইতিমধ্যেই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতরা হলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা অমিত প্রসাদ, মহম্মদ হাবিবুল্লা ও স্কুলের প্রাক্তন পড়ুয়া দেবপ্রিয় চট্টোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে খবর, অর্থের বিনিময়ে নাবালক পড়ুয়াদের রক্তদানে (Blood Donation Scam) রাজি করাত এই দেবপ্রিয়। কীভাবে অপারেশন চালাত? তদন্তে উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য।

কীভাবে পড়ুয়াদের রাজি করাত দেবপ্রিয়? 

দুর্গাপুরের যে বেসরকারি স্কুলে নাবালক পড়ুয়াদের অর্থের বিনিময়ে রক্ত বিক্রির অভিযোগ সামনে এসেছে, দেবপ্রিয় চট্টোপাধ্যায় সেই স্কুলেরই প্রাক্তন ছাত্র। তাঁকে এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন তৃণমূল নেতা অমিত প্রসাদ ও হাবিবুল্লাহ। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক পাশ করার পর স্কুল ছাড়ে সে। তদন্ত আধিকারিক সূত্রে খবর, সম্প্রতি, হঠাৎ করেই স্কুলের বাইরের মাঠে তার আনাগোনা শুরু হয়। অভিযোগ, দেবপ্রিয় স্কুল ছুটির সময় স্কুলের মাঠে বসে থাকত। ছুটি হলেই স্কুলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণীর পড়ুয়াদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে আলাপ জমাত। অভিযোগ, তাঁর লক্ষ্য ছিল অপেক্ষাকৃত অর্থনৈতিকভাবে দূর্বল পড়ুয়ারা। প্রথমে পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাপ জমাত। তারপর বিশ্বাস অর্জনের পর নিজের কাজ শুরু করত দেবপ্রিয়।

‘ভুয়ো ভিডিয়ো দেখানো হত’

অভিযোগ,অসুস্থ শিশুর ভুয়ো ভিডিয়ো দেখিয়ে রক্ত দেওয়ার আবেদন জানাত। কেউ রাজি হলে কৌশলে তাঁর আধার নম্বর হাতিয়ে জন্মতারিখের জায়গা ট্যম্পার করে তৈরি করা হত ভুয়ো আধার কার্ড। এরপর বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্ত দেওয়ানোর ব্যবস্থা করত বলে অভিযোগ। বিনিময়ে দেওয়া হত টাকা। কোনও পড়ুয়াকে ২৫০ টাকা, কোনও পড়ুয়াকে ৩০০ টাকা আবার কাউকে ৫০০ টাকাও দেওয়া হত।

এক রক্তদাতা পড়ুয়া জানিয়েছেন, সাড়ে তিন মাস পরপর দুইবার করে রক্ত দিয়েছি। আমার সঙ্গে অনেককেই বলত, ছেলে জোগাড় করে দিলে ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা কমিশন দেবে। আরেক রক্তদাতা পড়ুয়া বলেন, “কারও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রক্ত নেওয়া হত। পরিবর্তে যে টাকা দেওয়া হত, সেই বিষয়ে জানানো হত যে অসুস্থ ব্যক্তির পরিবারের তরফে দেওয়া হয়েছে। পরে দেবপ্রিয় হঠাৎ জিজ্ঞাসা করে কোনও ফাঁকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তাঁর কাছে রয়েছে কি না। ওই অ্যাকউন্টটা যদি ওকে দিই, তাহলে ১০ হাজার টাকা দেবে। সেটা শুনে আমি ঘাবড়ে যাই। মনে হয় কোনও একটা বেআইনি কিছু হবে। তারপর সেদিনের পর থেকে দেবপ্রিয়র সঙ্গে আর কোনও কথা বলিনি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *