সিসি ক্যামেরার ভয়ে তোলেননি ছবি! শুভেন্দুর বাড়ির কাছে একাধিকবার রেকি হামিমের - 24 Ghanta Bangla News
Home

সিসি ক্যামেরার ভয়ে তোলেননি ছবি! শুভেন্দুর বাড়ির কাছে একাধিকবার রেকি হামিমের

Spread the love

কলকাতা: জঙ্গিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডলকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পাচ্ছেন এসটিএফ (STF) আধিকারিকরা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্যের…

কলকাতা: জঙ্গিযোগে ধৃত হামিম মণ্ডলকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পাচ্ছেন এসটিএফ (STF) আধিকারিকরা। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীর গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেই ছক অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর চিনার পার্কের বাড়ির আশপাশে একাধিকবার রেকিও (সরেজমিনে খতিয়ে দেখা) করেছিল সে।

গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে এসটিএফ-এর জালে ধরা পড়ে হামিম। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ছবি তোলারও চেষ্টা করেছিল সে। কিন্তু গোটা চত্বর সিসি ক্যামেরায় মোড়া থাকায় চিহ্নিত হয়ে যাওয়ার ভয় ছিল তার। জেরায় হামিম জানিয়েছে, পাকিস্তানে বসে থাকা হ্যান্ডলাররা তাকে কড়া নির্দেশ দিয়েছিল, ছবি বা ভিডিয়ো তোলার কাজ যেন কোনোভাবেই সিসি ক্যামেরায় ধরা না পড়ে! সেই কারণেই শেষ মুহূর্তে ছবি তোলার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসে সে।

টাওয়ার লোকেশনেই ফাঁস রেকির তথ্য

হামিমের গতিবিধি নিশ্চিত করতে তার মোবাইল টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা। সেখানেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে, শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির আশেপাশে বেশ কয়েকবার ঘোরাঘুরি করেছিল সে। প্রথমে এই রেকির কথা অস্বীকার করলেও অকাট্য প্রমাণের মুখে ভেঙে পড়ে হামিম। পরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সে স্বীকার করে, চিনার পার্কে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির পাশাপাশি তাঁর যাতায়াতের পথগুলিতেও নিখুঁতভাবে রেকি করেছিল সে।

‘হানিট্র্যাপ’-এর ফাঁদ ও বড়সড় নাশকতার ছক

জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে হামিমের পাশাপাশি তার বান্ধবী অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিংহ ওরফে রাজ নামের এক যুবককেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই (ISI) এবং সে দেশের কুখ্যাত গ্যাংস্টার শাহজাদ ভাট্টির গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

হানিট্র্যাপের ব্যবহার: অর্পিতাকে ব্যবহার করা হত ‘হানিট্র্যাপ’ হিসেবে। নেতা, মন্ত্রী এবং আমলাদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব ছিল তার ওপর।

মূল নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী: ছক ছিল পশ্চিমবঙ্গে বড়সড় নাশকতামূলক কাজ ঘটানোর, যার অন্যতম নিশানায় ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু।

নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও সমান্তরাল নেটওয়ার্কের আশঙ্কা

এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসার পরই মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা আরও আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। গোয়েন্দাদের প্রাথমিক অনুমান, খুন এবং নাশকতার মাধ্যমে রাজ্যে বড়সড় অস্থিরতা তৈরির সুপরিকল্পিত ছক কষেছিল পাক গুপ্তচর সংস্থার হয়ে কাজ করা শাহজ়াদ ভাট্টি গোষ্ঠী। তবে বিপদ এখনও পুরোপুরি কাটেনি। হামিম বাদেও এ রাজ্যে অন্য কাউকে দিয়ে ভাট্টি গোষ্ঠী আরও একটি সমান্তরাল স্লিপার সেল বা নেটওয়ার্ক তৈরি করে থাকতে পারে, এমন গভীর আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারী আধিকারিকরা।

‘১০০% বিশুদ্ধ’ নয়! ডাবরের মধু-ঘি সহ একাধিক পণ্য বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা FSSAI-এর

কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি অভিষেকের! প্রমাণ হাতে দিল্লি যাচ্ছেন ঋতব্রত

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *