তুমুল হইচই-প্রতিবাদের মধ্যেই সংসদে পাস হয়ে গেল জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র এমেন্ডমেন্ট বিল - 24 Ghanta Bangla News
Home

তুমুল হইচই-প্রতিবাদের মধ্যেই সংসদে পাস হয়ে গেল জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র এমেন্ডমেন্ট বিল

Spread the love

নয়াদিল্লি: আজ লোকসভায় বিতর্কের মধ্যেই পাস হয়ে গেল (Births)‘রেজিস্ট্রেশন অফ বার্থস অ্যান্ড ডেথস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’। বিরোধীদের তুমুল প্রতিবাদ ও হইচইয়ের মাঝে সরকারি সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিলটি…

নয়াদিল্লি: আজ লোকসভায় বিতর্কের মধ্যেই পাস হয়ে গেল (Births)‘রেজিস্ট্রেশন অফ বার্থস অ্যান্ড ডেথস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’। বিরোধীদের তুমুল প্রতিবাদ ও হইচইয়ের মাঝে সরকারি সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিলটি পাস হয়। এই সংশোধনী আইনটি দেশের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আনা হয়েছে।নতুন বিধান অনুসারে, জন্ম বা মৃত্যুর ঘটনা ঘটার দুই বছর পর নিবন্ধন করতে হলে এখন থেকে জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেট ফার্স্ট ক্লাস (জেএমএফসি)-এর আদেশ লাগবে।

আগে এই সময়সীমা ছিল এক বছর। (Births)সরকারের যুক্তি, এই পরিবর্তন জাল নিবন্ধন রোধ করবে এবং নাগরিকদের সঠিক তথ্যভিত্তিক রেকর্ড তৈরিতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে ভোটার তালিকা, আধার কার্ড, পাসপোর্ট, সম্পত্তির উত্তরাধিকারসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পেতে জন্ম-মৃত্যুর সার্টিফিকেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাল সার্টিফিকেটের কারণে অনেক সমস্যা দেখা দেয়।

আরও দেখুনঃ

এই বিল সেই ফাঁক বন্ধ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।সংসদে বিরোধীরা (Births)এই বিলের প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান। তাঁরা বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিল বিতর্ক ছাড়া পাস করা গণতন্ত্রের অবমাননা। কয়েকজন বিরোধী সাংসদ ওয়াকআউটও করেন। কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেসসহ বেশ কয়েকটি দল এটিকে ‘তড়িঘড়ি করে আনা’ বলে সমালোচনা করে। তবে সরকারি দলের সদস্যরা জানান, এই সংশোধনী দীর্ঘদিনের দাবির ফসল।

বিভিন্ন রাজ্য থেকে জাল নিবন্ধনের অভিযোগ আসছিল। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় এবং জনবহুল শহরে এই সমস্যা বেশি। নতুন আইন প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বাড়াবে এবং ডিজিটাল রেকর্ড ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করবে।জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন আইনটি ১৯৬৯ সালের।

আরও দেখুনঃ

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এতে বেশ কয়েকবার সংশোধন হয়েছে। ২০২৬ সালের এই সংশোধনীতে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যুক্ত হয়েছে। অনলাইন নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করা, ডিজিটাল সার্টিফিকেট প্রদান এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানকে দ্রুত করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

সরকার বলছে, এতে নাগরিক সেবা আরও সহজ ও দ্রুত হবে।সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকে বলছেন, দেরিতে নিবন্ধনের জন্য এখন আদালতের দ্বারস্থ হতে হবে এটি সাধারণ মানুষের জন্য ঝামেলা বাড়াতে পারে। গ্রামাঞ্চলে অনেক পরিবার দেরিতে নিবন্ধন করে থাকে। অন্যদিকে, অনেকে স্বাগত জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের আওতায় এই বিলটি আনা হয়েছে।

সরকারের দাবি, এটি ‘এক দেশ, এক রেজিস্ট্রেশন’ ব্যবস্থার দিকে আরেক ধাপ এগিয়ে নেবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডিজিটাল ভারতের লক্ষ্য পূরণে এই সংশোধনী সহায়ক হবে। (Births)জন্ম-মৃত্যুর সঠিক তথ্য না থাকলে জনসংখ্যা নীতি তৈরি, স্বাস্থ্য পরিকল্পনা, শিক্ষা সবক্ষেত্রেই সমস্যা হয়।

বিরোধীদের অভিযোগ, সরকার বিতর্ক এড়িয়ে সংসদকে ‘রাবার স্ট্যাম্প’ বানাচ্ছে। তবে সরকার জানিয়েছে, বিলটি সংসদীয় কমিটিতে আলোচিত হয়েছে এবং বিভিন্ন অংশীদারের মতামত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যসভায় এখনও বিলটি পাস করতে হবে। সেখানেও বিতর্কের সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও দেখুনঃ

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *