বরাহনগরে ব্যবসায়ীকে মারধরের জের
কিন্তু এর পরেও বিশ্বনাথের দোকান বন্ধ রাখা ও চঞ্চলের কাছে কয়েক লক্ষ টাকা চাওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাধ্য হয়ে চঞ্চল ও বিশ্বনাথ বরাহনগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বিধায়কের আশ্বাস পেয়ে দোকান খুলেছিলেন বিশ্বনাথ চক্রবর্তী। অভিযোগ, গত রবিবার রাতে বিশ্বনাথের দোকানে চড়াও হন কয়েকজন বিজেপি নেতৃত্ব। আক্রান্তের অভিযোগ, বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সঞ্জয় অধিকারীর নেতৃত্বে বিশ্বনাথকে দোকান থেকে বের করে বেধড়ক মারধর করা হয়। বাঁচাতে এলে তাঁর ভাগ্নে স্বর্ণেন্দুকেও মারধর করা হয়।