স্ট্র্যাটেজিতেই ভুল, মানছেন না তুচেল, লিনেকার-রুনিদের তোপের মুখে ইংল্যান্ড কোচ
হিসেব বলছে, গর্ডনের গোলের পরের ৩০ মিনিটে ইংল্যান্ডের বল পজেশন ছিল মাত্র ১২ শতাংশ। হ্যারি কেনের কথায়, ‘ঢেউয়ের মতো আছড়ে পড়ছিল ওদের আক্রমণ। আমরা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ম্যাচটা ধরে রাখা গেল না।’
১-০ এগিয়ে যাওয়ার পরে তিন ডিফেন্ডার নামিয়ে ডিফেন্সে জোর দিতে গিয়েই এই হার, এটা কিছুতেই মানছেন না স্বয়ং তুচেল। কেন বারবার বড় টুনার্মেন্টে সেমিফাইনাল বা ফাইনালে আটকে যায় ইংল্যান্ড? ৬০ বছর ধরে কেন চলছে একই ট্র্যাডিশন? তুচেলের বক্তব্য, ‘ইংলিশদের মতো এটা অভিশাপ বা ওই ধরনের কিছু, আমি বলব না। বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন কোচের ক্ষেত্রে, বিভিন্ন প্লেয়ার ও সিচ্যুয়েশনে এটা হয়েছে।’ সঙ্গে সংযোজন, ‘ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে আলোচনা করা সোজা। লক্ষ লক্ষ কোচ ম্যাচের পরে জানাতে পারেন, কী হলে ভালো হতো। এখন এ সব কথা উঠবেই। আমাকে ওই মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল এবং তার পুরো দায়িত্ব নিচ্ছি। বদলের সিদ্ধান্তগুলোর জন্য কোনও রিগ্রেট নেই। হেরেছি, কারণ ম্যাচে অ্যাক্টিভ থাকতে পারিনি আমরা।’