Shyampukur: নাম শুনে দেখা মাত্রই পুলিশ বলল, ‘ও তো হ্যাবিচুয়াল অফেন্ডার’… কী করতেন এই তরুণী? | Kolkata Flat Fraud: Woman Arrested for Allegedly Selling the Same Apartment to Multiple Buyers
কলকাতা: একই ফ্ল্যাট একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক যুবতীকে গ্রেফতার করল কলকাতার শ্যামপুকুর থানার পুলিশ। ধৃতের নাম স্নেহা শাহ। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত যুবতী একজন ‘হ্যাবিচুয়াল অফেন্ডার’ বা অভ্যাসগত অপরাধী এবং তাঁর বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও এই ধরনের একাধিক প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ সূত্রের খবর, স্নেহা শাহ নামের ওই যুবতী একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটকে হাতিয়ার করে একাধিক ক্রেতার সঙ্গে ‘সেল এগ্রিমেন্ট’ বা বিক্রির চুক্তিপত্র তৈরি করতেন। এরপর অগ্রিম বা বায়না হিসেবে তাঁদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিতেন। সম্প্রতি এক ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে শ্যামপুকুর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, অন্য আরেকটি ফ্ল্যাট বিক্রির নাম করেও আরও এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা হাতিয়েছেন এই যুবতী। সব মিলিয়ে প্রতারণার অঙ্কের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছুঁতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
আজ ধৃত স্নেহা শাহকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়। পুলিশ ঘটনার গভীরে পৌঁছাতে এবং এই চক্রে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা জানতে ধৃতকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। বিচারক সওয়াল-জবাব শেষে আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত তাঁকে পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এই চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
অভিযোগকারীর আইনজীবী অভিজিৎ দাস বলেন, “যে ফ্ল্যাটটা নিয়ে সমস্যা, সেটা শ্যামপুকুর থানা এলাকার মধ্যে পড়ে। ওই ফ্ল্যাটের পাশেই এই তরুণীর বাড়ি। একই ফ্ল্যাট একজনের সঙ্গে এগ্রিমেন্ট করেছিলেন, তারপর ওই ফ্ল্যাটই আরও একজনের সঙ্গে এগ্রিমেন্ট করেন। শেষমেশ ফ্ল্যাট বিক্রি করেছেন আরেক জনের কাছে।”