অরুণাচলে ‘সায়ানান্থাস হুকেরি’, ১৫৮ বছর পরে ভারতে ফের বিরল ফুলের দেখা
উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ১৮৬৭–তে ঘণ্টাফুল বা ‘ক্যাম্পান্যুলেসি’ গোত্রভুক্ত এই বেগুনি-নীল রঙের ফুলটি প্রথম নথিভুক্ত করেছিলেন ব্রিটিশ উদ্ভিদবিজ্ঞানী জোসেফ ডালটন হুকার। ১৮৬৭ সালে সিকিম অভিযানের সময়ে তিনি এই উদ্ভিদের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করেন। গাছটির বিজ্ঞানসম্মত নাম রাখার সময়ে তাই আবিষ্কারকের নামটি ব্যবহার করা হয়েছিল। এত বছর পরে অরুণাচলে ফের এই প্রজাতির গাছের সন্ধান মেলায় ভারতে এর বিস্তৃতির মানচিত্রে নতুন তথ্য যুক্ত হল। গবেষকেরা চুনা উপত্যকার তৃণভূমি ও পাথুরে আল্পাইন ঢালে পঞ্চাশটির কাছাকাছি অপরিণত গাছ দেখতে পান। অত্যন্ত সীমিত বিস্তৃতির কারণে প্রজাতিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁরা। এই কারণেই আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সংস্থা (আইইউসিএন)–এর মানদণ্ড অনুসারে ভারতে সায়ানান্থাস হুকেরি-কে ‘বিপন্ন’ প্রজাতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সুপারিশ করেছেন। যদিও ভুটান, চিন ও নেপালের কিছু এলাকাতেও এই উদ্ভিদ পাওয়া যায় বলে জানা গিয়েছে, কিন্তু ভারতে এর উপস্থিতি অত্যন্ত বিরল।