Suvendu in Assembly: গুণ্ডা দমন বিলের প্রয়োজন কেন? বিধানসভায় বললেন শুভেন্দু | Why anti socail activity bill is nees for west bengal said by cm suvendu adhikari
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী: বিগত দিনের সরকার যদি ব্যবস্থা নিত, সংবিধানের শপথ নেওয়ার পর কোনটা মুখ্যমন্ত্রী কর্তব্য আর কোনটা ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি এই দুয়ের মধ্যে ভাগ থাকলে বাংলার এই অবস্থা হত না।”

শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রীImage Credit: PTI
বিধানসভায় বিল নিয়ে সওয়াল মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। গুণ্ডা দমন বিল নিয়ে জবাবি ভাষণ তাঁর। সোমবার সকালেই বিল পেশ করলেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামা। এই বিল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণ এক নজরে।
সর্বশেষ তথ্য উপরে
- মুখ্যমন্ত্রী: নওদার এমএলএ-র নিদির্ষ্ট এজেন্ডা আছে। মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূলের হবে, উনি উপ-মুখ্যমন্ত্রী হবেন এখন যেটা বলেছেন, ছেলেকে জেতাবার জন্য এসব বলছেন। এগুলো জানি ওনার মনের কথা না। দরিদ্র সব থেকে বেশি মুসলিম
- মুখ্যমন্ত্রী: আতঙ্কের জায়গা প্রিভেন্টিং অ্যারেস্ট তাই তো? সন্দেশখালি আর না। এই প্রথম ভোট। ভাঙড়ে তো কোনও মৃত্যু নেই। বিজেপির ওইখানে ৭০ হাজার ভোট আছে। আমরা ভাঙড়টাকে ছেড়ে দিতে পারতাম। ছেড়ে দিলে যিনি জেলে ছিলেন তিনি এখানে আসতেন। আর বিলের যিনি বিরোধিতা করেছেন তিনি এখানে আসতে পারতেন না।
- মুখ্যমন্ত্রী: বিচার দেবো , সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিপূরণ আদায় করব। আগের আইনে ফাঁক ফোকর ছিল। বর্তমান আইনে ফাঁক-ফোকড় রাখা হল না। এই আইন গুণ্ডা দের জন্য প্রযোজ্য।
- মুখ্যমন্ত্রী: যা হয়ে গেছে অতীত । আর কিছু করতে দেবো না । এই আইনের কঠোর কঠোর কঠোর পদক্ষেপ হবে। শুধু জেল খাটাব না। পার্ক-সার্কাসে পুলিশকে ঢিল মারা বের করব। আমার দায়িত্ব পুলিশ কর্মীদের নিরাপত্তা দেওয়া। সরকারি বেসরকারি যাই ভাঙুন এগোতে দেব না।
- মুখ্যমন্ত্রী:আমি জয়নাল আবেদিন, গনি খান চৌধুরী, নরুল ইসলামকে খারাপ বলি না। এই আইন কেন প্রয়োজন। সরকারি সম্পত্তির সুরক্ষা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
- মুখ্যমন্ত্রী: ধুলিয়ানে বড় বড় দোকান শো রুম সব নষ্ট করেছে। দেড়-দুকোটির সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে। কতবার ভুল পথে পরিচালিত করছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষকে। আপনাদের ফারাক্কার প্রাক্তন এমএলএ , প্রাক্তন মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী তদন্তে বাধা দিয়েছিল। আপনারা কেন সিভিলের লোককে রাজ্য সভায় পাঠান। কেন সিদ্দিকুল্লা খাগড়াগড় বিস্ফোরণে বাধা কেন দেয়?
- মুখ্যমন্ত্রী: ২০২৪ সালের পর ওয়াকফ বিল। এখানে এখানে যিনি বসতেন দুবার হেরেছেন আমার কাছে । ( মমতার নাম না করে মন্তব্য )। উনি বলেছিলেন, প্রাণ থাকতে এই বিল কার্যকর করতে দেব না। উনি ১৭০০ হাজার কমিটিকে পোর্টালে আপলোডের সুযোগ দেননি। তিনটে হিন্দুর দোকান লুট। মুসলমানের দোকান ছাড়লেন। এটা রাজনীতি? শক্ত হাতে ধরতেন, আধা সেনা চাইতেন। গুণ্ডারা এই সব করতে পারতেন না। এই যে নওদার এমএলএ যে ভাষায় কথায় বলে-আপনাদের পাপের পর। আপনাকে কেমন সবক শেখাকে হয় এই সরকারের মুখ্যমন্ত্রী শেখাবে। ভাষা সংযত করুন। আচরণ সংযত করুন। সামশেরগঞ্জের এমএলএ আছেন? আরে নুন রাখার বাটি রাখেননি। এরা কারা? কী করেছেন?
- মুখ্যমন্ত্রী: গোটা ভারতে কোথাও অশান্তি নেই। উনি প্রথম মিছিল করলেন। উনি আগুন লাগালেন। বাংলা জ্বলল। একটু আগেই প্রসূণ বাবু বললেন, রেললাইন উপড়ে দিয়েছিল। রেললাইনে কি হিন্দুরা শুধু চড়েন, মুসলমানরা চড়ে না? সামসির রেল লাইন উপড়ালেন। রেজি নগরের আগুন। সাঁতরাগাছি তে বাস পুড়ল। ফোন করলাম আমি পরিবহন মন্ত্রী। সরকারি সম্পত্তি পুড়ছে। বলল , পুলিশকে বলেছি কথা বলতে, ওদের সঙ্গে। এরপর নন স্টপ নুপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্য। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল রাজনৈতিক দল। গোটা হাওড়া জেলা অবরুদ্ধ করলেন ৩৬ ঘণ্টা। একজন প্রসূতিকে সেবা দিল গ্রামের লোক। ৩৬ ঘণ্টা জাতীয় সড়ক বন্ধ। বিজেপির পার্টি অফিস জ্বলল। বেথুয়াডহরি, নাকাশিপাড়ার রেললাইন পুড়িয়ে দিলেন। করমণ্ডল এক্সপ্রেস-রোগী
- মুখ্যমন্ত্রী: ২০১৯ সালে CAA আইন লাগু, আইন কার্যকর, ১৯ হাজার নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট। আগের সরকারের একজন মন্ত্রী ছিল যিনি মন্তেশ্বরে হেরেছেন ( সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী)। উনি একজন ধর্মীয় নেতা। তাঁর অনেক মাদ্রাসা আছে। প্রথমে ধর্মীয় পোশাক পরিয়ে বাচ্চাগুলো নামালেন। বললেন এটা এটা সিএএ নয়, এনআরসি। এটা শুনে মুখ্যমন্ত্রী বললেন ক্যা ক্যা ছি ছি।
- মুখ্যমন্ত্রী: কিন্তু গোষ্ঠী সংঘর্ষ, ধর্মীয় উৎসবে হামলা, সাম্প্রদায়িক উস্কানি, ভুল বুঝিয়ে একটি সম্প্রদায়কে রাস্তায় নামিয়ে এই রাজ্যে ২০১৯ সাল থেকে যে ঘটনা গুলো পরপর ঘটেছে। তার ফলে এক সময় কাস্তে হাতুড়িতে ভোট দেওয়া হরগোবিন্ড দাসের পরিবারকে পোহাতে হয়েছে।
- মুখ্যমন্ত্রী: রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন কখনও কেউ দেখেছেন ? এই অধঃপতন আমরা দেখিনি। পলিটিক্সে ক্রিমিনালদের আমদানি হলো সিপিএম-এর হাত ধরে। ১৯৯৯ এর আগে এগুলো ছিল না। ২০০০ সালে পাশকুড়া লোকসভা ছিল সেখানে গুরুদাস দাসগুপ্ত হারে বিক্রম সরকারের কাছে। তারপর গেল গেল রব। সরকার পরিবর্তন হবে ২০০১। সেই হাওয়াকে আটকাতে তৈরি করা হল সংগঠিত হার্মাদ বাহিনী। একে নেতৃত্ব দিলেন গোঘাটের অভয় বাবু, আরামবাগের মোজাম্মেল বাবু, হলদিয়ার লক্ষ্মণবাবু। আর বলতে চাই না। ক্যালেন্ডারে পরিণত এখন। যদিও, ডোমকল থেকে ভদ্রলোক জিতে এসেছেন।
- মুখ্যমন্ত্রী: তৃণমূলকে জনতা বর্জন করেছে। এর জন্য আপনারা বিরোধী। কেউ বেরচ্ছে কেউ জামা ধরে টানছে। কেউ বলেছে আমি তৃণমূল, কেউ বলছে ওরা ল্যাম্পপোস্ট। তাই এই অবস্থা।
- মুখ্যমন্ত্রী: ডায়মন্ড হারবারের রাজু সামন্তকে খুন করা হয়েছিল, মুর্শিদাবাদের হরগোবিন্দ দাসের পরিবার গ্যালারিতে। আমায় ভোট দেওয়ার অপরাধে রথীবালা আড়ির পরিবার পক্ষে-বিপক্ষের কথা শুনলেন।
- মুখ্যমন্ত্রী: বিগত দিনের সরকার যদি ব্যবস্থা নিত, সংবিধানের শপথ নেওয়ার পর কোনটা মুখ্যমন্ত্রী কর্তব্য আর কোনটা ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতি এই দুয়ের মধ্যে ভাগ থাকলে বাংলার এই অবস্থা হত না।

