Uddhav Thackeray: ভোটারদের কাছে চেয়ে নিলেন ক্ষমা, শিবসেনার শীর্ষ পদ ছাড়তে চাইলেন খোদ উদ্ধবই! | Big Shock in Maharashtra Politics: Uddhav Thackeray Wants to Step Down From Shiv Sena Leadership, Apologize to Voters
দলও ছেড়ে দেবেন উদ্ধব ঠাকরে?Image Credit: PTI
মুম্বই: একের পর এক ভাঙন। দল কি আস্থা রাখছে না আর দলের সর্বোচ্চ নেতার উপরই? যার নামে দল, তিনিই পদ ছাড়তে চাইছেন! শিবসেনা ভেঙে দুটুকরো হওয়ার পর উদ্ধব ঠাকরে(Uddhav Thackeray)-র দলের নাম হয়েছে শিবসেনা (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে)। এখন সেই শিবসেনা(ইউবিটি) (Shiv Sena UBT) দলের শীর্ষ পদ ছাড়ার প্রস্তাব দিলেন। কিন্তু কেন হঠাৎ উদ্ধব ঠাকরে এই কথা বললেন?
তৃণমূল কংগ্রেসের মতোই শিবসেনা (ইউবিটি)-র অন্দরেও বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। ছয়জন সাংসদ আলাদা ফ্রন্ট গড়ার পরিকল্পনা করছেন। তাঁরা দেখাও করেছেন শিবসেনা নেতা তথা উপমুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের সঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে শিবসেনার প্রতিষ্ঠা দিবসে বড় মন্তব্য উদ্ধব ঠাকরের।
শুক্রবার শিবসেনার প্রতিষ্ঠা দিবসে দলের প্রতিষ্ঠাতা তথা তাঁর বাবা বালাসাহেব ঠাকরেকে শ্রদ্ধা জানিয়ে উদ্ধব ঠাকরে বলেন যে যদি দলের কর্মীদের তাঁর নেতৃত্বের উপরে আস্থা না থাকে, তাহলে তিনি পদ ছেড়ে দিতে পারেন। আবেগঘন কণ্ঠে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে দলের কর্মীরা যদি মনে করেন যে তিনি উপযুক্ত নন, তাহলে এই দায়িত্ব তিনি দলের যেকোনও কর্মীর হাতে তুলে দিতে পারেন।
শীর্ষ পদ ছেড়ে দিতে রাজি থাকলেও, তিনি যে লড়াই থামেন দেবেন, এমনটা নয়। উদ্ধব ঠাকরে বলেন, “আমি হার মানব না। তবে আপনাদের যেদিন মনে হবে যে আমি এই পদের জন্য সঠিক নই, সেই দিনই আমি চলে যাব।”
তিনি আরও বলেন, “অনেকে হয়তো ভাবছেন যে আমরা আশা ছেড়ে দেব, কিন্তু আমরা সেটা করব না। অনেকে বলছেন, আমার নির্দেশ দেওয়া উচিত। বালাসাহেব আগে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে যারা আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তাদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে।”
সাংসদদের বিশ্বাসঘাতকতার প্রসঙ্গ টেনে উদ্ধব ঠাকরে বলেন, “আমি আজ ভোটারদের কাছে ক্ষমা চাইছি, কারণ আপনারা আমাদের ভোট দিয়েছেন, কিন্তু আমাদের সাংসদরা চলে গিয়েছে।”
বিদ্রোহী সাংসদরা অভিযোগ করেছিলেন যে উদ্ধব ঠাকরে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায় না। এর উত্তরে তিনি বলেন যে কীভাবে তাহলে তারা ভোটে জিতছেন? একইসঙ্গে কংগ্রেসের সঙ্গে মিশে যাওয়ার জল্পনার উত্তর দিয়েও শিবসেনা (ইউবিটি) নেতা বলেন, “যদি ৩০ বছর বিজেপির জোটসঙ্গী থেকেও আমরা বিজেপির সঙ্গে মিশে না যাই, তাহলে কীভাবে কংগ্রেসের সঙ্গে এক হয়ে যাব? এর আগেও কংগ্রেসের সঙ্গে যখন মতবিরোধ হয়েছে, তারা কখনও মাতোশ্রী-কে অপমান করেনি, প্রতিশ্রুতির দাম দিয়েছেন। বিজেপির হিন্দুত্বের থেকে ভালো কংগ্রেস।”