বিশ্ব জুড়ে জয় জয়কার, সুস্থ জীবন পেতে কেন গুরুত্বপূর্ণ যোগাচর্চা? | World Yoga Day 2026
বিশ্ব যোগ দিবস
স্বাস্থ্যই যে সম্পদ সে কথা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। সেই গুরুত্বের কারণেই ২১ জুন, বিশ্ব যোগ দিবস পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর ২১ জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালিত হয়। ২০১৪ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রস্তাবের পর, ওই বছরই ১১ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপুঞ্জ ২১ জুনকে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। এরপর ২০১৫ সালের ২১ জুন থেকে বিশ্বজুড়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে এই দিনটি পালিত হয়ে আসছে। এই বছরের থিম বিশ্ব যোগ দিবসের থিম ‘Yoga for Healthy Ageing’।
আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মেগা ইভেন্ট কলকাতায়
সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগব্যায়াম— এটিই এবারের থিম। এই বছর আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল অনুষ্ঠানটিও অনুষ্ঠিত হতে চলেছে কলকাতায়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনিই যোগাভ্যাসের অনুষ্ঠানটির নেতৃত্ব দেবেন। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে এবং কলকাতা পুরসভার (KMC) সহায়তায় পুরো শহরজুড়ে চলছে তারই ব্যাপক প্রস্তুতি।
২১ জুন, সকালে কলকাতার ঐতিহাসিক রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হবে। প্রায় ৩০ হাজার মানুষের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা রয়েছে। এই দিনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই শারীরিক-মানসিক সুস্থতা এবং সুস্থ বার্ধক্য নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যোগব্যায়ামের ভূমিকাও তুলে ধরা হবে।
এদিন কলকাতার সরকারি-বেসরকারি প্রায় ১২৫ টি স্কুল রেড রোডে, বিশ্বযোগ দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে। ২১ জুন, যোগাভ্যাসের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ভোর ৬.৩০ টা থেকে ৭.৪৫ মিনিট পর্যন্ত। শুধু ভারতই নয়, আইসিসিআর (ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস) এর তত্ত্বাবধানে, যোগ দিবস উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে প্রায় ২,৫০০ জায়গায় নানা অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে চলেছে।
যোগব্যায়াম ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে বিশ্বব্যাপী, স্বাস্থ্য ও সুস্থতার এক যৌথ বৈশ্বিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। সে কারণেই রোজকার ব্যস্ত জীবনে সুস্থ, শান্ত এবং কর্মক্ষম থাকতে প্রতিদিন কিছুটা সময় যোগব্যায়াম (Yoga) করা খুবই প্রয়োজন।
শরীর ও মনের মেলবন্ধন ঘটাতে এই যোগচর্চা। ব্যস্ত শিডিউল থেকে প্রতিদিন মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় বের করলেই যথেষ্ট। সকালে ঘুম থেকে উঠে বা সন্ধ্যায় কাজের শেষে হালকা কিছু আসন ও প্রাণায়াম করা যেতে পারে।
ছোটদের এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সার্বিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য যোগাভ্যাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এবং কার্যকরী। শিক্ষাক্ষেত্রে বর্তমান প্রতিযোগিতার যুগে লেখাপড়ার চাপ, অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার কারণে শিশুরা নানা সমস্যায় ভুগছে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত যোগব্যায়াম (yoga) মহৌষধির কাজ করতে পারে।