অভিষেকের দুয়ারে রাত তিনটেয় পুলিশ, আপ্ত সহায়কের খোঁজে তালা ভেঙে তল্লাশি
এই সময়: রাত তিনটে। হঠাৎ দরজায় খাকি পোশাকের পুলিশ দেখে হতবাক নিরাপত্তারক্ষীরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁদের উদ্দেশে পুলিশের প্রশ্ন, ‘এখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থাকেন তো? তাড়াতাড়ি গেট খুলুন।’ পাল্টা জবাব আসে, ‘অর্ডার নেই।’ শুক্রবার রাত থেকে কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় অভিষেকের বাড়িতে ঢোকা নিয়ে ঘণ্টাখানেক এ ভাবে টানাপড়েন চলে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি থানার পুলিশ এবং অভিষেকের বাড়ির নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে। প্রায় ঘণ্টাখানেক বাগ্যুদ্ধ চলার পরে স্থানীয় কালীঘাট থানার দ্বারস্থ হন পুলিশকর্মীরা। শেষ পর্যন্ত বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সাহায্য নিয়ে গ্যাস কাটার দিয়ে ভোররাতে তালা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন পুলিশকর্মীরা। সঙ্গে ছিলেন ডিএসপি পদ মর্যাদার এক অফিসারও। ঘুম থেকে উঠে আসার পরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তল্লাশির কারণ জানানো হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুরে জমি দুর্নীতি, তোলাবাজির মামলায় অভিষেকের আপ্ত-সহায়ক সুমিত রায়কে খুঁজতে এই অভিযান। কিন্তু, তাঁর খোঁজে পুলিশ কেন অভিষেকের বাড়িতে? তদন্তকারীদের উত্তর, ‘সুমিতের মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন ওই বহুতলে পাওয়া গিয়েছে।’ যদিও প্রায় ৫ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চললেও অভিষেকের আপ্ত সহায়ককে পাওয়া যায়নি। ওখান থেকে একটি দল হুগলির শ্রীরামপুরে সুমিতের শ্বশুরবাড়িতে গিয়েও খালি হাতে ফিরে আসে।