জিন চিনে ওরাল ক্যান্সারকে কব্জা! আশায় চিকিৎসকরা
এই গবেষণার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ওরাল ক্যান্সারের টিউমারকে ‘ইমিউনোলজিক্যালি হট’ এবং ‘ইমিউনোলজিক্যালি কোল্ড’— এই দু’ভাগে ভাগ করা। সহজ ভাষায়, শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা বা ইমিউনিটি কোনও টিউমারের বিরুদ্ধে কতটা সক্রিয়, তার উপরেই নির্ভর করছে এই বিভাজন। অতিসক্রিয় হলে হট, আর তুলনায় কম সক্রিয় হলে কোল্ড। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রায় তিন-চতুর্থাংশ রোগীর টিউমারে বিপুল পরিমাণ ইমিউন কোষ রয়েছে। অর্থাৎ শরীর ইতিমধ্যেই ক্যান্সার কোষকে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত করে তার বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছে। এই ধরনের টিউমারকে বলা হচ্ছে ‘ইমিউন-হট’। অন্য দিকে, প্রায় এক-চতুর্থাংশ রোগীর টিউমারে ইমিউন কোষের উপস্থিতি খুব কম। সেখানে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা কার্যত নিষ্ক্রিয়। এগুলিই ‘ইমিউন-কোল্ড’ টিউমার।