Modi-Rubio: হোয়াইট হাউজ়ে মোদীকে আমন্ত্রণ রুবিও-র, বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কি আলোচনা হল? | Marco rubio invites pm modi to white house during key india us strategic talks
নয়া দিল্লি: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে (PM Narendra Modi) হোয়াইট হাউজ়ে আমন্ত্রণ জানালেন মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও (Marco Rubio)। ভারতে চারদিনের সফরে এসেছেন তিনি। আজ সকালে প্রথমে স্ত্রীকে নিয়ে কলকাতায় পৌঁছন। তারপর দুপুরে দিল্লিতে নামেন। রাজধানীতে পৌঁছনোর পরই সেবাতীর্থে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করেন রুবিও। বৈঠকে মূলত বাণিজ্য়, প্রতিরক্ষা, শক্তি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ওই বৈঠকেই ট্রাম্পের তরফে আমেরিকা সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে বৈঠকে কি ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কী কোনও আলোচনা হল? আর কী কী কথা হয়েছে দুই দেশের নেতার মধ্যে?
মোদী-রুবিও বৈঠক
রুবিও-র সঙ্গে বৈঠকের পর মোদী জানিয়েছেন, বিশ্বের উন্নতির জন্য ভারত ও আমেরিকা একসঙ্গে কাজ করবে। বৈঠক নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন মোদী। লেখেন,”মার্কিন সেক্রেটারি অব স্টেট মার্কো রুবিও-র সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা ভারত-আমেরিকার বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা করেছি। একইসঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছে ধারাবাহিক অগ্রগতি এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়।” প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিশ্বের মঙ্গলের জন্য নয়াদিল্লি ও ওয়াশিংটন একসঙ্গে কাজ করে যাবে। আলোচনা ও কূটনীতির ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। বিদেশমন্ত্রকের এক বিবৃতি অনুযায়ী, পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী আলোচনা ও কূটনীতির ওপর জোর দিয়েছেন ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
বৈঠক কি ফলপ্রসূ?
মোদী-রুবিওর বৈঠক নিয়ে ভারতে মার্কিন অ্যাম্বাসডর সার্গিও গোর জানিয়েছেন, ভালো আলোচনা হয়েছে। নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং অত্যাবশ্যকীয় প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর উপায় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকের পর একটা ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তিনি। এছাড়া, মোদীরও প্রশংসা করেন।
উল্লেখ্য, আজ ভারত সফরে এসে প্রথমে কলকাতায় পা দেন মার্কো রুবিও। শহরে পা দিয়েই স্ত্রীকে নিয়ে সোজা পৌঁছে যান মাদার হাউসে। সেখানে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় কাটান। নির্মলা শিশুভবনেও যান সস্ত্রীক রুবিও। ১৪ বছরে এই প্রথম কোনও মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি কলকাতা সফরে এলেন। এর আগে ২০১২ সালে কলকাতায় এসেছিলেন তৎকালীন মার্কিন স্টেট সচিব হিলারি ক্লিনটন।