কামিন্সের সুযোগ নষ্টের খেসারত, গোয়ার সঙ্গে ড্র, ইস্টবেঙ্গলকে টপকাতে পারল না মোহনবাগান
গোয়াও খুব বেশি ঝুঁকি নেয়নি, তারা অপেক্ষায় ছিল সুযোগের। মূলত রক্ষণ সামলে তারা কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করার চেষ্টা করছিল। এর মাঝেই লিস্টনের একটি শট গিয়ে লাগে সন্দেশ ঝিঙ্গানের (Sandesh Jhingan) মুখে, আর আপুইয়ার (Apuia) দূর থেকে নেওয়া শট বেরিয়ে যায় লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে। তার পরই যেন প্রকৃতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে— বৃষ্টি বাড়তে থাকে, মাঠে খেলা কঠিন হয়ে পড়ে, আর ফুটবলারদের প্রতিটি পাস হয়ে ওঠে যে এক একটি পরীক্ষা। বিরতির আগে ম্যাচটা তখন আর গতি পায়নি, বরং ধীরে ধীরে আরও স্লো হয়ে পড়ে।
ম্যাকলারেনের আশা, গোয়ার দ্রুত জবাব
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা প্রাণ ফেরে ম্যাচে। ৫৫ মিনিটে মোহনবাগান এগিয়ে যায়। সন্দেশ ঝিঙ্গানের একটি ভুলই বাগানোর ভাগ্য খুলে দেয়। সন্দেশ বল ধরতে না পারলে, সেটি পেয়ে যান সুযোগসন্ধানী জেমি ম্যাকলারেন আর এক মুহূর্ত দেরি না করে বল জালে জড়িয়ে দেন। সেই গোল যেন মুহূর্তের জন্য সবুজ-মেরুন শিবিরে নতুন আশা জাগিয়ে তোলে।
কিন্তু সেই আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৬৭ মিনিটে গোয়া সমতা ফেরায়। ডান দিক থেকে রনি উইলসন (Ronney Wilson) একটি ক্রস তোলেন, আর বলটি সোজা জালে জড়িয়ে যায়। রনি নিজেও ভাবেননি গোলটি হয়ে যাবে। বিশাল কাইথ (Vishal Kaith) চেষ্টা করেও আর কিছু করতে পারেননি। তবে এই গোল গোয়াকে বড় অক্সিজেন দেয়।